শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬

২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬

২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির আটক

>> ইরানে হামলা না চালালে ইসরাইল পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যেত: ট্রাম্প

>> ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ভেতর বাসে আগুন

>> ইরানের ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

>> পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি এখনো চূড়ান্ত হয়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

>> তাহসিফের মৃত্যু: রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন বান্ধবী দিশা

>> ৪ দেশের জন্য হরমুজের দরজা খুলে দিল ইরান

>> গোপালগঞ্জে সাবেক ৩ ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

>> অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী

>> যুক্তরাষ্ট্রে ৫৪৮ জনের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর

আপনি পড়ছেন : টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলে বন্যার পরিস্থিতি অবনতি ভাঙন আতঙ্কে এলাকাবাসী 


DhakaReport24.com || 2022-06-21 15:43:45
টাঙ্গাইলে বন্যার পরিস্থিতি অবনতি ভাঙন আতঙ্কে এলাকাবাসী 

উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনার পাড় তলিয়ে গত দুই দিন ধরে লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করেছে যমুনার পানি। তলিয়ে যাচ্ছে নিম্নাঞ্চল ও ফসলের জমি। 

গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৪৭সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি সহ উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের যমুনা পূর্ব পাড়ের চিতুলিয়া পাড়া, ভালকুটিয়া এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। যমুনার এমন ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ভাঙন তীরবর্তী এলাকার লোকজন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের যমুনা পূর্ব পাড়ের খানুরবাড়ী বেপারী পাড়া, ঘোষ পাড়া সহ তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে ফসলের জমি, ডুবে গেছে ছোট বড় অসংখ্য পুকুর। 

বসতভিটা ও রাস্তা ঘাটে পানি উঠায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে পানিবন্দি এসব এলাকার লোকজন। সেই সাথে উপজেলার চিতুলিয়া পাড়া ও ভালকুটিয়ার কিছু অংশে দেখা দিয়েছে ভাঙন। ভাঙন রোধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় আতঙ্কে দিন কাঁটাচ্ছে ভাঙন কবলিত এলাকার লোকজন।  

পানিবন্দি ঘোষপাড়া এলাকার লোকজনদের সাথে কথা বললে তারা জানান, প্রতি বছর নদী ভাঙনের ফলে যমুনার পূর্ব পাড় নিচুঁ হয়ে গেছে। আর এই যমুনার পাড় নিচুঁ হওয়ার কারণে প্রতি বছর আমাদের এলাকার বন্যার পানি প্রবেশ করে। 

এবারো বন্যার পানি প্রবেশ করে রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। ঘর বাড়িতে পানি উঠেছে। ঘর বাড়ি ও রাস্তা ঘাট তলিয়ে যাওয়ার হাঁস-মুরগি ও গবাদি পশু নিয়ে চরম দুর্ভোগে রয়েছি। এখন পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে আমাদের কোন খোজ খবর নিতে আসেনি।

ভাঙন কবলিত এলাকার লোকজন বলেন, প্রতি বছর বর্ষা আসলে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও সেগুলো সহ ফসলের জমি, ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যায়। বর্ষার শুরুতে এবছরও শুরু হয়েছে ভাঙন। 

ইতিমধ্যে ভাঙনে বেশ কয়েকটি ঘর-বাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া হুমকিতে রয়েছে অসংখ্য গর-বাড়ি। ভাঙন রোধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আমরা কিছুটা নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারবো।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ইশরাত জাহান বলেন, আমরা বন্যা কবলিত মানুষের জন্য সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। এখন পর্যন্ত সরকারি ভাবে কোন বরাদ্দ পাইনি। বরাদ্দ পেলেই বন্যা কবলিতদের মাঝে সেগুলো বিতরণ করা হবে।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এএন/আরএএম