সোমবার, অক্টোবর ৫, ২০২৬

২০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

সোমবার, অক্টোবর ৫, ২০২৬

২০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : জামালপুর

জামালপুরে কাজু বাদাম চাষের উজ্জল সম্ভাবনা


জামালপুর সদর প্রতিনিধি
DhakaReport24.com || 2024-08-11
জামালপুরে কাজু বাদাম চাষের উজ্জল সম্ভাবনা

ড.মো. ইউনুসের পরামর্শে কৃষি মন্ত্রনালয় গ্রামীন অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের স্বাবলম্বি করার লক্ষ্যে একের পর এক প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কাজুবাদাম চাষের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। জামালপুর জেলার ৭টি উপজেলায় কাজুবাদাম চাষের উজ্জল সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে কৃষি বিভাগ তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে। আশা করা যাচ্ছে কাজু বাদাম চাষ ব্যপক জনপ্রিয়তা লাভ করবে।

জানা যায়, জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি সর্মৃদ্ধ এলাকা হলেও কাজুবাদাম চাষ করার উজ্জল সম্ভাবনা রয়েছে। কাজু বাদাম চাষ কে বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে। এ উপজেলাধীন শ্রীপুর, বাশচড়া, সাহাবাজপুর, রশিদপুর, নরুন্দি,ইটাইল সহ আরো বেশ কয়েকটি এলাকায় কাজুবাদাম চাষ উপযোগী জমি রয়েছে। সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: এমদাদুল হক এ প্রতিবেদক কে জানান, এ এলাকা গুলোর জমি আবহাওয়া কাজুবাদাম চাষ উপযোগী। তিনি আরো বলেন, কাজুবাদাম চাষকে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে এ সব এলাকা গুলোতে উদ্বুদ্ধকরন সহ সহায়তার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে উদ্যোক্তা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। আশাকরা যা”েছ সর্বত্র কাজুবাদাম চাষ ব্যপক আকার ধারন করবে।

কৃষি মন্ত্রনালয়ের এ প্রকল্প কৃষি বিভাগ মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ,ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ,বকশীগঞ্জ, ও সরিষাবাড়ী উপজেলায় বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। সরকার কাজুবাদাম চাষকে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের মাধ্যমে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। সরেজমিনে মহাদান, ভাটারা, কামরাবাদ, ডাংধরা,পাররামপুর সহ আরো বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে জানা গেছে, কাজুবাদাম চাষের জন্য কৃষি বিভাগ এ সব এলাকায় ব্যপক পরিসরে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। মহাদান গ্রামের কৃষক আবুল(৫০) জানান, সরকারে এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কাজু বাদাম চাষের সমারোহ ঘটবে। এ সব উপজেলার কৃষি কর্মকর্তারা এ প্রতিবেদক কে বলেন, কৃষক সমবায় সমন্বয়ের মাধ্যমে কৃষি মন্ত্রনালয়ের এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে কৃষককুল স্বচ্ছলতার মুখ দেখবে পাশাপাশি গ্রামীন অর্থনীতি চাঙ্গা হবে।