মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া এলাকায় পদ্মা সেতুর নিচে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া এক কলেজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলার থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে নদীর প্রায় ৪০ ফুট গভীরতা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি নিহত শিক্ষার্থীর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম আবু নাইম। তিনি মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-এর সিভিল মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তার বাড়ি নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার সাতপুর এলাকায়। তিনি রায়হান উদ্দিনের ছেলে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এমআইএসটির ১৮ জন শিক্ষার্থী একটি নৌকাযোগে পদ্মা সেতু দেখতে যান। এ সময় সেতুর ৪ নম্বর পিলারের কাছে পৌঁছে তিনজন শিক্ষার্থী নদীতে গোসল করার জন্য ঝাঁপ দেন। দুজন সাঁতরে উঠে আসতে সক্ষম হলেও আবু নাইম নদীতে তলিয়ে নিখোঁজ হন।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মুন্সীগঞ্জ ও ঢাকার ফায়ার সার্ভিসের দুটি ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর সোমবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, “দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলারের কাছাকাছি এলাকায় ৪০ ফুট পানির নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ডুবুরি দল। পরে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।”
তিনি আরও জানান, শনিবার বিকেলে ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ছিল।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম