সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : ফরিদপুর

বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে পালাল ছোট ভাই


DhakaReport24.com || 2026-08-23
বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে পালাল ছোট ভাই

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে ছোট ভাইয়ের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ভাঙ্গা থানার সামনে ও ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের বালিয়াচরা গ্রামের ইকরাম শেখ ও আব্দুল্লাহ শেখ দুই ভাই। বড় ভাই ইকরাম শেখ দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় থাকেন। ছোট ভাই আব্দুল্লাহ শেখ কৃষিকাজ করেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে পারিবারিকভাবে পার্শ্ববর্তী সোনাখলা গ্রামের বাঁকা শেখের মেয়ে পূর্ণিমা আক্তারের সঙ্গে ইকরাম শেখের বিয়ে হয়। বিয়ের পর ছোট ভাই আব্দুল্লাহ ভাবি পূর্ণিমাকে আনা-নেওয়া করতেন। এ সময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে দাবি স্থানীয়দের।

কয়েক মাস আগে ইকরাম শেখ মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরে স্ত্রীকে নিয়ে সংসার শুরু করেন। এর মধ্যে গত বুধবার দুপুরে পূর্ণিমা আক্তার বাড়িতে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার সঙ্গে নিয়ে দেবর আব্দুল্লাহর সঙ্গে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে। পরে খোঁজাখুঁজি করে পরিবারের সদস্যরা তাদের দুজনকে সাভার থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ভাঙ্গা থানায় শালিস-মীমাংসার জন্য বসার আগেই পূর্ণিমা ও দুই ভাইয়ের মধ্যে টানাটানি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে পূর্ণিমা দৌড়ে থানার ভেতরে ঢুকে পড়েন। এ সময় থানার ভেতরেও উত্তেজনা তৈরি হলে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে।

এদিকে পূর্ণিমা তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন। তার দাবি, শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে নিয়মিত অত্যাচার করতেন। এ কারণে তিনি স্বামীর ছোট ভাই আব্দুল্লাহর সঙ্গে পালিয়ে যান। পরে জানতে চাইলে তিনি জানান, পালিয়ে গিয়ে আব্দুল্লাহকে বিয়ে করেছেন।


ওই নারীর বাবা বলেন, ‘মেয়েকে উদ্ধার করে বিষয়টি আইনি ও সামাজিকভাবে সমাধানের উদ্দেশ্যে উভয় পক্ষকে নিয়ে থানায় জড়ো হই। এ সময় থানা প্রাঙ্গণে উভয় পক্ষের আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় জনতার উপস্থিতিতে একপর্যায়ে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।’


মারামারিতে আব্দুল্লাহ ও পূর্ণিমাসহ পাঁচজন আহত হন। পরে আব্দুল্লাহকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পূর্ণিমাকে তার বাবা-মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।


এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ‘আমার থানার গেটের সামনে এক ভাইয়ের স্ত্রীকে ছোট ভাই বিয়ে করেছে, এ বিষয়টি নিয়ে তারা হাতাহাতি করেছে বলে শুনেছি। একজন পালিয়ে থানার ভেতরে ঢুকে ছিল। পরে তাদের অভিভাবকরা নিয়ে গিয়েছেন। আমরা থানার ভেতরে অন্য কাজে ব্যস্ত ছিলাম। পরে তারা চলে গেছে। আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি।’

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম