চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার দৌলদিয়াড়ে মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মেমজান বেগম (৪০) নামে মধ্যবয়সী এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয়রা মেমজানকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
এ সময় মেমজানের মাথা, মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে একাধিক আঘাতের চিহৃ দেখতে পাওয়া যায়। মেমজান বেগম চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের দৌলতদিয়াড় গ্রামের চুনুরিপাড়ার আব্দুস সামাদের স্ত্রী।
মেমজান বেগমের আত্মীয় এবং উদ্ধারকারি লিপি খাতুন বলেন, মেমজানের শাশুড়ি দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থ হয়ে বিছানাগত। তিনি প্রতিদিনের মত শনিবার সন্ধ্যার পর শাশুড়ির মল-মুত্র বাড়ির সামনেই মাথাভাঙ্গা নদীতে ফেলতে গিয়েছিলেন। এরপর থেকে তিনি আর ফেরেননি। পরে অনেক খোজাখুজির পর সন্দেহ হলে এক পর্যায়ে মাথাভাঙ্গা নদীতে খোজা শুরু হয়। এরপরই নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে এলাকাবাসী।
শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের বিষয়ে জানতে চাইলে লিপি খাতুন বলেন, মেমজান বেগম দীর্ঘদিন যাবত মৃগী (খিচুনি) রোগে ভুগছিলেন। আমাদের ধারণা নদীতে যাওয়ার পরই খিচুনি শুরু হলে ব্যালেন্স হারিয়ে পানিতে পড়ে যান তিনি। এতে শরীরে আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) খালেদূর রহমান বলেন, শুনেছি মাথাভাঙ্গা নদীর পানিতে ডুবে তিনি মারা গেছেন। মৃগী রোগী ছিলেন তিনি। তার শরীরে একাধিক আঘাতের জখম রয়েছে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম