শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : চুয়াডাঙ্গা

হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা


সালাউদ্দীন কাজল, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
DhakaReport24.com || 2024-01-17 15:48:00
হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

'প্রবাদে আছে মাঘের শীতে বাঘ কাঁপে।' মাঘের সেই বাঘ কাঁপানো শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলেনি চুয়াডাঙ্গার আকাশে। কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশে দুপুরের পর কোন রকম সূর্যের দেখা মিললেও তাতে ছিলনা কোন তাপ। ফলে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বাড়িয়েছে বহুগুন। হাড় কাঁপানো এই শীতে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। যাদের অধিকাংশই শিশু ও বৃদ্ধ। আজ বুধবার সকাল ৯ টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অধিদপ্তর।
কষ্টে আছে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলো। রুটি-রুজির সন্ধানে বাইরে বের হওয়া কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়ছে তাদের। বেলা বাড়লেও, তাপমাত্রা বাড়ছে না। ফলে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। এখনো শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায়নি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের। 

তবে, জেলা প্রশাসন থেকে প্রায় ২৫ হাজারের মতো কম্বল জেলার চারটি উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে বলে জেলা ত্রাণ অফিস সূত্রে জানা গেছে। এর পাশাপাশি কয়েকটি বেসরকারি সংগঠন কিছু কম্বল বিতরণ করেছে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার কেন্দ্র সিনিয়র পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, আজ বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৬ টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন  তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রী। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। তিনি আরো জানান, বিকেলে চুয়াডাঙ্গার আকাশে মেঘের দেখা মিলতে পারে এবং আগামী কাল বৃহস্পতিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। বৃষ্টির পর কুয়াশা কেটে যাবে। তারপর তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। 

এদিকে হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। গত ১০ দিনে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে শিশুসহ দুই হাজারের উপরে রোগী আউটডোরে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আতাউর রহমান। তিনি বলেন, তীব্র শীতে রোটাভাইরাসের কারণে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বেশির ভাগই শিশু রোগী। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাাতালের শিশু ওয়ার্ডে ও ওয়ার্ডের বাইরে বারান্দায় ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত প্রায় দু’শতাধিক শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। 
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম