'উদ্ভাবনী জয়োল্লাসে স্মার্ট বাংলাদেশ' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান পালন করা হয়েছে। জীবননগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার (৯ নভেম্বর) সকালে উপজেলা চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ও মেলার উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা- ২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. আলী আজগার টগর। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার সৈয়দ আব্দুল জব্বারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) তিথি মিত্র।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে চুয়াডাঙ্গা- ২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. আলী আজগার টগর তাঁর বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালের সরকার গঠনের পর একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে ২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উন্নতির স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার করে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি। আমাদের ভিজিটর প্রযুক্তি ব্যবহারের মধ্যে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশ হবে। একটা সময় পুরো কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে হবে।
তিনি আরও বলেন, জমির খতিয়ান ডিজিটাল মাধ্যমে সকালে আবেদন করলে বিকেলে পাবেন। সম্পূর্ণ দুর্নীতি মুক্ত, দালালমুক্ত হয়রানি মুক্তভাবে ডিজিটালের মাধ্যমে আমরা সেবা দিচ্ছি।
আলী আজগার টগর আরও বলেন, দলিল ট্রেজারি ডিজিটালের মাধ্যমে নকল-আসল সত্যতা যাচাই, পাশাপাশি লাইসেন্সারি ব্যান্ডারিদের ডিজিটালের আওতায় নিয়ে আসা। সবই ডিজিটাল মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যে আদালত আছে, ঘরে বসে যেন আদালতের তারিখ জানতে পারেন আদেশ সম্পর্কে, সে ব্যবস্থা আমরা করছি।
ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন, জীবননগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. হাফিজুর রহমান, জীবননগর পৌর চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম, জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপাধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবু মো. আব্দুল লতিফ অমল, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম ঈশা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়েশা সুলতানা লাকি প্রমুখ।
মেলায় চারটি প্যাভিলিয়নে উপজেলার ১৪টি দপ্তরের উদ্ভাবনী স্টল দেওয়া হয়েছে। মেলায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের অংশগ্রহণে মেলার স্থানে নাগরিক বান্ধব ডিজিটাল সেবা প্রদানের ব্যবস্থার পাশাপাশি সেবা প্রদান প্রক্রিয়া অবহিতকরণ, উন্নয়ন ও সেবা সম্পর্কে নাগরিকদের মতামত গ্রহণের ব্যবস্থা রাখা হয়। এ মেলায় স্থানীয় উদ্ভাবনসমূহ প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমজার/আরএএম