চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানার ফুলবাড়ী সীমান্তের বুইচিতলা গ্রাম থেকে চোরাকারবারীর ফেলে যাওয়া জুতার ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে কোটি টাকা মূল্যের এক কেজি ৫১৫ গ্রাম ওজনের ১৩টি স্বর্ণের বার।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) সকাল সোয়া দশটার সময় চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের অধিন ফুলবাড়ী বিওপির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে স্বর্ণগুলো উদ্ধার করেন।
চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল শাহ মো. ইসতিয়াক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্বর্ণের বার উদ্ধারের বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদেরকে নিশ্চিত করেছেন। বেলা সাড়ে তিনটার সময় পাঠানো ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবির চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ ফুলবাড়ী বিওপির নায়েব সুবেদার মো. দুলাল হক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন ফুলবাড়ী সীমান্ত দিয়ে বড় ধরণের একটি স্বর্ণের চালান ভারতে পাচার করা হবে।
এ সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা ফুলবাড়ী সীমান্তের ৮৪ নং মেইন এবং ১১৩ নং সাব পিলার হতে ছয়শ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বুইচিতলা গ্রামের ইটের রাস্তার উপর আগে থেকেই অবস্থান গ্রহণ করে। সকাল সোয়া ১০ টার দিকে বিজিবি সদস্যরা সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে মোটরসাইকেলযোগে ওই রাস্তা দিয়ে সীমান্তের দিকে যেতে দেখে।
এ সময় বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করলে সে মোটরসাইকেলসহ তার পায়ের জুতা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে চোরাকারবারীর ফেলে যাওয়া পায়ের জুতাটি মাত্রাতিরিক্ত ওজন হওয়ায় বিজিবি সদস্যরা জুতাটি কেটে তার মধ্যে অভিনব কায়দায় কালো কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় চারটি প্যাকেট হতে এক কেজি ৫১৫ দশমিক ৮৫ গ্রাম ওজনের ১৩টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বর্তমান বাজার মূল্য এক কোটি আট লক্ষ আট হাজার চারশ টাকা।
পরে বিজিবি সদস্যরা স্থানীয় জনগনের মাধ্যমে জানতে পারেন, পলাতক মোটরসাইকেল আরোহী দর্শনা থানার ফুলবাড়ী গ্রামের আজমল হোসেনের ছেলে মো. মিকাইল হোসেন (৩০)। এ বিষয়ে দর্শনা থানায় মামলা করাসহ আটককৃত স্বর্ণের বারগুলো চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারী অফিসে জমা করণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমজার/আরএএম