চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গাতে ইউরিয়া সারের দাম বাড়ানোর অজুহাতে এম ও পি সারের দামও বৃদ্ধি করেছে অসাধু ব্যবসায়ীগন। বতর্মানে এম ও পি সারের মূল্য প্রতি কেজি ১৫টাকা সরকার নির্ধারণ করলেও প্রান্তিক পর্যায়ে ২৮টাকা দরে বিক্রয় করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান থেকে কোনরকম মেমো দেওয়া হচ্ছে না। কৃষকরা মেমো চাইলে সার বিক্রি করতে রাজি হচ্ছে না ব্যবসায়ীরা।
সারের দাম বেশি নেওয়ার কারন জানতে চাইলে একজন সার ব্যবসায়ী বলেন, বস্তায় সার কম আসায় ,দাম বাড়াতে বাদ্ধ্য হচ্ছি। বস্তা প্রতি ৩ থেকে ৪ কেজি সার ডিলার পর্যায় থেকে কম আসছে। ডিলারের নাম জানতে চাইলে তিনি বলেন, আলমডাঙ্গাতে যে কয়টি ডিলার আছে তাদের তদারকি করলেই বেরিয়ে আসবে আসল তথ্য ।
সরকার ইউরিয়া সারের দাম কেজিতে ৬ টাকা বৃদ্ধি করার অজুহাতে ব্যবসায়ীরা অন্যান্য সারের দামও ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করছে।
আর সারের দোকানদার বলছে ডিলার পর্যায়ে বস্তা প্রতি বেশি ধরায় কম নিতে পারছি না এবং কোন মেমো দিতে পারছি না।
সার নিয়ে প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকদের মাঝে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ। তাদের কথা ইউরিয়া সারের দাম কেজিতে ৬ টাকা বৃদ্ধি করেছে কিন্তু অন্য সার বেশি নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা। কে দেখবে এই অনিয়মের সিন্ডিকেট গুলো ।
বর্তমানে সারের দোকানে কোন মূল্য তালিকা নেই। এম ও পি সার কেজিতে ১৩ টাকা বাড়িয়ে২৮টাকা দরে বিক্রি করছে। সব মিলিয়ে সারের বাজার সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ডিজেল ও সারের দাম বাড়াতে উৎপাদন খরচ বেশি পড়বে এবার ।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে দেশে সারের কোন সংকট নেই কিন্তু ডিলার পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন। তারা সারের সংকট দেখিয়ে ইচ্ছেমতো দাম হাকিয়ে নিচ্ছে কৃষকদের কাছ থেকে।
আলমডাঙ্গা কৃষি অফিসার হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে মুঠো ফোনে কথা বলে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন সারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিলার মালিকরা একটু লস খেয়েছে তাই এমনটা নিতে পারে। বর্তমানে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ট্রেনিং থেকে আসলে নিয়মিত তদারকি করা হবে।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এসএ/আরএএম