জৈষ্ঠ্যের দাবদাহে পুড়ছে প্রকৃতি। গ্রীষ্মের দুপুরের প্রখর রোদে দরদর করে ঝড়ছে ঘাম। প্রশান্তি নেই কক্ষে বসেও। কোথাও যেন মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। এর মাঝেই প্রশান্তি মেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হল সংলগ্ন পুকুরটিতে ও তার পাড়ে। পুকুরটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছাড়াও স্থানীয়রা এবং নির্মাণ শ্রমিকরা গোসল করে থাকেন। বিশেষ করে শিশু-কিশোররা জলকেলিতে মেতে উঠেন পুকুরে। তাদের ডুব সাঁতারে তৈরি হয় অন্যরকম এক অ্যালবাম।
পুকুরটির দুইধারে সিঁড়ি ও বসার জায়গা রয়েছে। সেখানেও মেলে প্রশান্তির ছায়া। ভরদুপুরে ক্লাস-পরীক্ষা শেষে ক্লান্তি দূর করতে, দুপুরের খাওয়া শেষে বিশ্রাম, বিকেলে আড্ডা, প্রেমিক-প্রেমিকার খুঁনসুটি, গ্রুপ স্টাডি কিংবা রাতের গানের আসরের জন্য যেন এক আদর্শ জায়গা এটি। সেখানে থাকা গাছের ছায়া আর তীব্র গরমে মৃদু বাতাসে মনের সাথে চোখও জুড়িয়ে আসে। ঘুমোতেও দেখা যায় স্থানীয় বাসিন্দা ও নির্মাণশ্রমিকদের।
এছাড়া,অনেকসময় রাজনৈতিক আলাপচারিতার জন্য পুকুর পাড়কে বেছে নিয়ে থাকেন ছাত্র নেতা-কর্মীরা।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/সাখা/আরএএম