গত কয়েক দিনে কিছুটা বৃষ্টির দেখা মিললেও তা স্বস্তি ফেরাতে পারছে না। তীব্র ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে মেহেপুরের জনজীবন। প্রখর রোদের পাশাপাশি ভ্যাপসা গরমে স্বস্তি মিলেছে না কোথাও। এদিকে ঠান্ডা জ্বর নিয়ে হাসপাতালে বাড়ছে রোগির সংখ্যা। গরমে ঠান্ডা জ্বর সহ নানা ধরনের জটিলতায় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।প্রখর রোদের তাপ। শহরে লোকজনের আনাগোনাও কম। সকালের দিকে মানুষ কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও দুপুরের রোদ আর ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন মানুষ। এর মধ্যে রয়েছে লোডশেডিং। গরমে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারছেন না শ্রমিকরা। এদিকে কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমে জ্বর, ঠান্ডা, ডায়রিয়াসহ গরমজনিত নানা রোগে আক্রান্ত রোগীও বেড়েছে হাসপাতালে। প্রতিদিনই ৩০ থেকে ৪০ জন নতুন নতুন রোগি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। এ পর্যন্ত গত এক সপ্তহে প্রায় ৩০০ রোগি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছে।
সারা দিন রোদের তীব্রতা এতটাই বেশি যে, মানুষজন অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন। অন্য দিকে শ্রমিকেরাও রয়েছে বিপাকে। আগে দীর্ঘক্ষন কাজ করতে পারলেও এখন সকাল সকাল কাজ শেষ করতে হচ্ছে। বৃষ্টির অভাবে ফসলে সেচ দিতে হচ্ছে নিয়মিত।
এদিকে হাসপাতালে বাড়ছে রোগির সংখ্যা। অধিকাংশ রোগি গরমে জ্বর ঠান্ডা নিয়ে ভর্তি হচ্ছে। এদের মধ্যে অধিকাংশ শিশু ও বয়স্ক। অনেকেই হিট স্ট্রক নিয়েও ভর্তি হচ্ছে।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা: জমির মো : হাসিবুস সাত্তার বলেন, পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান করা, রোদে ছাতা ব্যবহার করা, খাদ্য অভ্যাসে পরিবর্তন আনা সহ নানা ধরনের জটিলতায় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/নোমান/আরএএম