বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

২১ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

২১ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> নতুন প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া

>> ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০৮৮ মামলা

>> ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

>> রাজধানী থেকে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার

>> ৫০০ টাকার মুচলেকায় জামিন পেলেন পরীমনি

>> আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

>> বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ল

>> ক্ষমতাচ্যুতরা সীমান্তের ওপার থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী

>> শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাশ দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

>> আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আপনি পড়ছেন : মেহেরপুর

মেহেরপুরে সড়কে শসা ফেলে প্রতিবাদ


DhakaReport24.com || 2022-04-28 20:15:45
মেহেরপুরে সড়কে শসা ফেলে প্রতিবাদ

৫০০ কেজি শসা বিক্রি করে ১ কেজি গোসত কেনার থেকে রাস্তায় ফেলে দেওয়াই ভাল। যখন দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতি তখন শসা কেন এক থেকে দেড় টাকা কেজি হবে। আমরা চাষ করে কি ক্ষতি করেছি ? সামনে ঈদ, গেল বছর পরিবার নিয়ে ঠিকমত ঈদ করতে পারিনি। 

এবারও আমরা ঈদ করতে পারব না? আমাদের উপর কেন এই জুলুম? বাজারে শসার দাম কম থাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে মেহেরপুর সদর উপজেলা আমঝুপি ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামে সড়কের উপর শষা ঢেলে প্রতিবাদ করার সময় ভুক্তভোগী চাষী ও রঘুনাথপুর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক জাহিদ হাসান এসব কথাগুলো বলেন।

মেহেরপুর সদর উপজেলা আমঝুপি ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামে জেলার সবচেয়ে শসা চাষ করেন কৃষকরা। আমঝুপি ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি অফিসার আশরাফুল ইসলাম জানান, রঘুনাথপুর মাঠে কৃষকরা সবচেয়ে শসার আবাদ বেশি করেন এবং শসার ফলন ভালো হয়েছে। শসা গাছ থেকে একসঙ্গে ওঠায় বাজারে শসার দাম কম। এতে করে বাজারে শসার দাম পাচ্ছে না কৃষকরা। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার চার একর শসা আছে দাম কম থাকায় জমি থেকে উত্তোলন করছি না কারণ লেবারের খরচের টাকা উঠছে না। 

ভুক্তভোগী চাষী মিলন বলেন, শসার আবাদ করতে গিয়ে সারের দাম বেশি, কীটনাশকের দাম বেশি, লেবারের খরচ বেশি সব খরচ করার পর দুই টাকা থেকে আড়াই টাকায় বিক্রি হচ্ছে শসা। চাষীদের দেখার কেউ নাই। কৃষক সাইফুল বলেন, আমরা বার বার কৃষি অফিস কে খবর দেয়ার পরও কোন কৃষি অফিসার আমাদের পাশে দাঁড়ায়নি এবং কোন খোঁজ-খবর রাখেনি। 

ক্ষতিগ্রস্থ চাষী মোস্তফা বলেন, ১ বিঘা জমিতে শসা আবাদ করতে খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। সেই শসা বাজারে বিক্রি করতে হচ্ছে ৬ হাজার টাকায়, ২৪ হাজার টাকা লস। কিভাবে যে ঋণ শোধ করব তা বুঝতে পারছিনা। তাতে আবার সামনে ঈদ। এলাকার কৃষকদের দাবি সরকার সাহায্যের হাত বাড়ালে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াবে কৃষকরা।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এনআই/আরএএম