মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২৬

৩ ভাদ্র ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২৬

৩ ভাদ্র ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : বিশ্ব

দেশে ফিরলেন ছাত্র আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী


DhakaReport24.com || 2026-08-13
দেশে ফিরলেন ছাত্র আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

প্রায় পাঁচ মাস বিদেশে কাটানোর পর নেপালে ফিরেছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা। হংকং হয়ে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

নেপালে ফিরে দেউবা সরাসরি মহারাজগঞ্জে তার ভাড়া করা বাসভবনে উঠবেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত সচিব ভানু দেউবা। দেশ ছাড়ার আগে যে বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন, দেশে ফিরে সেখানেই থাকবেন তিনি।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর কথা জানিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে নেপাল ছাড়েন দেউবা। এরপর প্রায় পাঁচ মাস তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করেন। তবে তার দীর্ঘ বিদেশ অবস্থান এবং চিকিৎসার প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।

দেউবা কাঠমান্ডু থেকে সরাসরি সিঙ্গাপুরে গেলেও তার স্ত্রী ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরজু রানা দেউবা নয়াদিল্লি হয়ে সিঙ্গাপুরে যান। পরে দেউবা, রানা ও তাদের ছেলে জয়বীর কখন সিঙ্গাপুর থেকে হংকংয়ের উদ্দেশে রওনা হন, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার দেউবা দেশে ফিরলেও তার স্ত্রী আরজু রানা ও ছেলে জয়বীরের বর্তমান অবস্থান এখনো জানা যায়নি।

দেউবা পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা চিকিৎসার জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন। তবে কোথায় চিকিৎসা নিয়েছেন কিংবা কী ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য চিকিৎসা করিয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে প্রায় পাঁচ মাস বিদেশে অবস্থানের সময় দেউবা, তার স্ত্রী ও ছেলের চিকিৎসা, যাতায়াত এবং অন্যান্য ব্যয়কে বহন করেছে—তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

৮০ বছর বয়সী শের বাহাদুর দেউবা নেপালের পাঁচবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং দেশটির অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা। দেশে ফেরার পর তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে শুরু হওয়া নেপালের জেন-জি আন্দোলন দ্রুত দুর্নীতি, বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধে ব্যাপক গণবিক্ষোভে রূপ নেয়। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ, সরকারি স্থাপনায় হামলা ও অগ্নিসংযোগের মধ্যে আন্দোলন তীব্র হলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা সরকারের পতন ঘটে। পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বালেন্দ্র শাহর নেতৃত্বে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসে। সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম