বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬

৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬

৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : রাজশাহী

রাজশাহীতে চাকরির নামে ১১ লাখ টাকা আত্মসাত


DhakaReport24.com || 2022-04-07 16:48:45
রাজশাহীতে চাকরির নামে ১১ লাখ টাকা আত্মসাত

রাজশাহীতে চাকরি পাইয়ে দেয়ার নামে সাড়ে ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে। তিনি এক মাছ ব্যবসায়ীর ছেলেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেয়ার নামে এ অর্থ নেয়। এ নিয়ে নগরীর চরসাতবাড়িয়া এলাকার মাছ ব্যবসায়ী বজলুর রহমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ পুলিশের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ওই এএসআইয়ের নাম মাইনুল ইসলাম। তিনি নগরীর চন্দ্রিমা থানায় কর্মরত। তিনি বজলুর রহমানের ছেলে নাসির উদ্দিনকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি একসঙ্গে সাড়ে ১১ লাখ টাকা নেন।

বজলুর রহমান তার অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, ওই টাকা নেয়ার পরে চাকরি দিতে না পারলে এএসআই মাইনুল ইসলাম চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারির মধ্যে সেই টাকা ফেরত দিবেন বলে অঙ্গিকার করেন। কিন্তু এএসআই মাইনুল গত দুই বছরেও তার নাসিরকে চাকরি নিয়ে দিতে পারেননি। এর পর সেই টাকা ফেরত চাইতে গেলে উল্টা নানাভাবে হুমকি দিতে থাকে। এমনকি জঙ্গি সম্পৃক্ততা বা মাদক মামলায় ফাঁসানোরও হুমকি দেয় বজলুর রহমানসহ তাঁর এক ভাইরা ভাইকে।

নাসির উদ্দিন চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নিয়েছেন এবং টাকা ফেরত দেয়ার কথা স্বীকার করছেন এমন অডিও রেকর্ডও আছে। তাতে সম্পূর্ণ টাকা ফেরত না দিয়ে এএসআই মাইনুল ইসলাম ছয় লাখ টাকা দিতে রাজি হন।

বজরলুর রহমান অভিযোগ, এএসআই মাইনুল ইসলামকে ধারদেনা করে সাড়ে ১১ লাখ টাকা দিয়েছি। ছেলের সুখের চিন্তা করে এতোগুলো টাকা দিয়ে আমি এখন নিঃশ্ব। চাকরি তো দুরের কথা পাওয়ানাদারদের অত্যাচারে বাড়িতে থাকায় দায় হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, আবার এএসআই মাইনুল টাকা ফেরত দিতে চেয়েও এখন মাত্র ৬ লাখ টাকা দিতে চাচ্ছে। ওই টাকা নিয়ে আপোশ না করলে আমাকেসহ আমার এক ভাইরাকে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিচ্ছে। টাকা দেয়ার সময় ভাইরা আব্দুল কুদ্দুস স্বাক্ষী ছিলেন।

বজরুল রহমান আরও জানান, ‘এএসআই মাইনুলের বাড়ি রাজশাহীর চারঘাটে। মাছ ব্যবসায়ী বজলুর রহমান চারঘাটে মাছ কিনতে যাওয়ার সুবাদে মাইনুলের সঙ্গে পরিচয় হয়।

বিষয়টি নিয়ে জানতে এএসাআই মাইনুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
তবে মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘এই ধরনের একটি লিখিত অভিযোগের তদন্ত করছি আমি। অভিযোগকারী কয়েকজন স্বাক্ষীসহ এসে লিখিত জবানবন্দি দিয়ে গেছেন। বিষয়টি তদন্ত চলছে এখনও।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এনআই/আরএএম