শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬

২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬

২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির আটক

>> ইরানে হামলা না চালালে ইসরাইল পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যেত: ট্রাম্প

>> ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ভেতর বাসে আগুন

>> ইরানের ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

>> পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি এখনো চূড়ান্ত হয়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

>> তাহসিফের মৃত্যু: রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন বান্ধবী দিশা

>> ৪ দেশের জন্য হরমুজের দরজা খুলে দিল ইরান

>> গোপালগঞ্জে সাবেক ৩ ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

>> অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী

>> যুক্তরাষ্ট্রে ৫৪৮ জনের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর

আপনি পড়ছেন : সিরাজগঞ্জ

স্বার্থ হাসিলের গেরাকলে খাষ মধ্যশিমুলিয়া প্রা: বিদ্যালয়


চৌহালী প্রতিনিধি
DhakaReport24.com || 2022-08-21 14:58:30
 স্বার্থ হাসিলের গেরাকলে খাষ মধ্যশিমুলিয়া প্রা: বিদ্যালয়

সিরাজগঞ্জের জেলা  চৌহালী উপজেলার উমারপুর ইউনিয়নের খাষ মধ্যশিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭৩ সালে নির্মাণ করা হয়। শিক্ষার মানোন্নয়নে উমারপুর চরাঞ্চলে  প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয় ২০১৩ সালে নদী ভাঙনে বিলিন হয়।তৎকালীন সময়ের  ম্যানেজিং কমিটি ও প্রধান শিক্ষক এবং মাতব্বরা উদ্যোগ নিয়ে স্কুল ঘর ভেঙে ছলেরচর বাজার সংলগ্ন একটি বাড়িতে টিন এঙ্গেল সহ আসবাবপত্র সংরক্ষণ করে রাখে,  কিন্তু সেই মালামাল বছরের পর বছর পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে।

এ বিষয় জানতে চাইলে উমারপুর ইউনিয়নের  সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ পড়শ মিয়া বলেন, গত ৮-৯ বছর ধরে  আমার বাড়ির পাশে টিন ও এঙ্গেল রাখা হয়ছে। দীর্ঘদিন পরে থাকায় এগুলো নষ্ট হচ্ছিল তাই টিনগুলো ভালো রাখার জন্য ছাপরা তুলেছি।সরজমিনে গিয়ে  দেখা যায় কিছু টিন ও এঙ্গেল  দিয়ে গরুর জন্য গোয়াল ঘর নির্মাণ করে গরু পালন করছেন এবং কিছু এঙ্গেল  দিয়ে ঈদগাহ মাঠের মাটি ধরে রাখতে প্যালাসাইটিং  এর খুটি দেওয়া হয়েছে। আর বাকি এঙ্গেল  অযত্নে-অবহেলায় মাটিতে পড়ে রয়েছে। 

এদিকে যমুনার ভাঙনের সুযোগ নিয়ে একটি প্রভাবশালী মহল প্রায় ৩ হাজার বসতির মধ্যশিমুলিয়া গ্রামের এ বিদ্যালয়টির একটি ঘর নিয়ে  উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের চরসলিমাবাদ গ্রামের দক্ষিনপাড়ায় নাগরপুর সিমান্ত ঘেষে স্থাপন করে প্রায় শিক্ষার্থী শূণ্যভাবে পাঠদান করানো হচ্ছে। খাষ মধ্যশিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের সন্তানদের নিরক্ষর করে গড়ে তোলার পায়তারা ও নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য  একটি মহল এই গ্রামের স্কুলটি অন্য ইউনিয়নে নিয়ে স্থাপন করছে। 

যে কারনে আমাদের সন্তানরা শিশু বয়সে ঝরে পড়ছে। উমারপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য  মোঃ  জাকির সরদার  বলেন,  স্কুলটি উমারপুর ইউনিয়নের খাষ মধ্যশিমুলিয়া গ্রামের  কিন্ত কয়েক বছর আগে  নদী ভাঙনের কবলে পড়লে স্কুলটি অন্যত্র সরিয়ে নেয় তৎকালীন সময়ের ম্যানেজিং কমিটি ও গ্রামবাসীরা। পুনরায় এই গ্রামে স্কুলটি স্থাপন না করে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের চরসলিমাবাদ এলাকায়  টিনসেট ঘর উত্তোলন করে একটি  প্রভাবশালী মহল অথচ আমার গ্রামের শিশুরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনতিবিলম্বে গ্রামের স্কুল গ্রামে ফেরত চাই।

 এ গ্রামের কৃষক সমশের আলী বলেন, আমার গ্রামের স্কুল গ্রামেই দেখতে চাই। এ গ্রামে এখনো প্রায় তিন হাজার বসতি রয়েছে কিন্তু স্কুল নেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফিরোজ শাহ বলেন, ২০১৮ সালে এ স্কুলের দায়িত্ব নেই। তবে আমি যতটুকু জানি স্কুলটি উমারপুর ইউনিয়নের খাষ মধ্যশিমুলিয়া ছিল, নদী ভাঙনের কারণে যমুনার পূর্বপাড়ে আনা হয়। তিনি আরও বলেন, ম্যনেজিং কমিটি ও প্রশাসন স্কুলটি যেখানে নেবে আমি সেখানেই পাঠদান সচল রাখবো।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর ফিরোজ  জানান, ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানের মাধ্যমে এলাকাবাসী গনস্বাক্ষর সহ লিখিত আবেদন দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এনএ /আরএএম