আম্পায়ার বুঝতে না পারলেও বাংলাদেশ দল মাতে উদযাপনে। এরপর শান্ত রিভিউ নিয়ে ১৯ রান করে ফেলা মিচেলের আউট নিশ্চিত করেন। ৬৯ রানের আগেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে নিউজিল্যান্ড। সপ্তম উইকেটে গ্লেন ফিলিপস ও মিচেল স্যান্টনার ২১ রানের জুটি গড়ে চা বিরতিতে যায়।
তৃতীয় সেশনে মাঠে নেমেই জয়ের জন্য প্রয়োজন বাকি ৪৭ রান তুলে নেয় ফিলিপস-স্যান্টনার জুটি। ৪০ ওভারেই জয় তুলে নিয়ে সিরিজ ড্র করে কিউইরা। পুরো ম্যাচে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ও বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন ফিলিপস।
এর আগে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দলের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন মাহমুদুল হাসান জয় ও জাকির হাসান। তবে ম্যাচের শুরুতেই উইকেট বিলিয়ে দেন জয়। অ্যাজাজ প্যাটেলের ঘূর্ণিতে ২ রানেই থামেন এ ডানহাতি ব্যাটার।জয়ের বিদায়ে উইকেটে আসেন টাইগার দলপতি নাজমুল হোসেন শান্ত। অতি আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে তিনিও নিজের ইনিংস লম্বা করতে ব্যর্থ হন।
টাইগার দলপতিকে থামিয়েছেন কিউই অধিনায়ক টিম সাউদি। আউট হওয়ার আগে ১৫ রান করেন এ বাঁহাতি ব্যাটার। এরপর ক্রিজে আসেন মুমিনুল হক। তবে নিজের ব্যক্তিগত ইনিংস লম্বা করতে পারেননি তিনি। অ্যাজাজ প্যাটেলের ঘূর্ণিতে লেগ বিফরের ফাঁদে পড়েন এ ব্যাটার। পরে বাইশ গজে এসে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন মুশফিকুর রহিম।
স্যান্টরারের বলে আউট হওয়ার আগে ৯ রান করেন এ ডানহাতি ব্যাটার। এরপর শুধু আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিলেন টাইগার ব্যাটাররা। এরপর শুধু আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিলেন টাইগার ব্যাটাররা। ব্যাট হাতে দুই অঙ্কের ঘর ছোঁয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন শাহাদাত হোসেন দিপু ৪, মেহেদী হাসান মিরাজ ৩, নুরুল হাসান সোহান ০ ও নাঈম হাসানরা ৯।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় লক্ষ্য থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। তবে ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি তুলে নিয়েছেন টাইগার ওপেনার জাকির হাসান। তার ফিফটিতে ভর দিয়েই লড়াকু পুঁজি সংগ্রহ করেছে শান্ত বাহিনীরা। শেষ পর্যন্ত ১৪৪ রানে বাংলাদেশের ইনিংস ধামলে ১৩৬ রানের লিড পায় টাইগাররা।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম