মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬

২১ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬

২১ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> বেশি দামে এলপিজি বিক্রি, আড়াইহাজারে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

>> ‘সিন্ডিকেট’ বলে যেন কোনো শব্দই না থাকে: খাদ্যমন্ত্রী

>> মালয়েশিয়ায় অভিযানে ২৩ বাংলাদেশি আটক

>> চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর পা ভেঙে দিলেন যুবদল নেতা

>> পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

>> আওয়ামী লীগকে আগে অপরাধ স্বীকার করতে হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

>> বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, শতশত স্কুলে শিক্ষার্থীদের ব্লকেড

>> বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির ধীরগতি অব্যাহত থাকবে: বিশ্বব্যাংক

>> ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চার বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী

>> ছেলের খুনের দেড় মাসের মাথায় বাবাকেও প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা

আপনি পড়ছেন : হবিগঞ্জ

জীবনযুদ্ধে থেমে নেই ট্রেন দুর্ঘটনায় পা হারানো ওয়াহেদ


হৃদয় খান - বানিয়াচং(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
DhakaReport24.com || 2023-01-25 19:49:30
জীবনযুদ্ধে থেমে নেই ট্রেন দুর্ঘটনায় পা হারানো ওয়াহেদ

আটাশ বছরের যুবক ওয়াহেদ মিয়া, বাড়ি বানিয়াচং উপজেলার সদরের ২ নম্বর উত্তর -পশ্চিম ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত চানপাড়া গ্রামে। ওয়াহেদ মিয়া চানপাড়া গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বি মৃত জব্বার মিয়ার পুত্র। ওয়াহেদ একসময় দিনমজুরের কাজ করতেন।

প্রায় তিন বছর আগে কাজের উদ্দেশ্যে ট্রেনে করে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় স্বীকার হন তিনি। দুর্ঘটনাস্থলে তাঁর ডান পা ভেঙে যায়। চিকিৎসা করার পর ডাক্তারের পরামর্শে পা কেটে ফেলতে হয়। পঙ্গুত্ব বরন করে নিতে হয় তাঁকে। মানবেতর জীবন পার করতে হয় ওয়াহেদ মিয়াকে।

কিন্তু পা হারিয়ে ও থেমে নেই ওয়াহেদ। সকল প্রকার কাজ অনায়াসে করতে পারেন তিনি। নিজের জমি এবং পরের জমিতে কাজ করে পরিবারের ভরন পোষণ করেন তিনি।এলাকাবাসী ও আত্নীয় স্বজনের সহযোগিতায় বাড়িতে দিয়েছেন ছোট একটি মুদির দোকান। সেখান থেকে টাকা উপার্জন করে কৃষিকাজে অর্থ ব্যয় করেন তিনি। 

এক পা লাঠিতে ভর করে জমি রোপণ করতে পারেন তিনি। এভাবেই জীবনযাপন করছেন তিনি। এ ব্যাপারে ওয়াহেদ মিয়া বলেন, দুর্ঘটনায় পা হারিয়েছি এতে আমার কোন দুঃখ নাই। দুর্ঘটনায় আমার হয়তোবা মৃত্যুও হতে পারতো। কিন্তু আমি দুনিয়ার আলো-বাতাস দেখতে পারছি এতে আমি সৃষ্টিকর্তার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। 

পা হারানোর পর কি করব? ভেবে পাচ্ছিলাম না। এলাকাবাসী এবং আত্নীয় স্বজনরা মুদির দোকান সাহায্য করার ফলে সেখান থেকে নিজের প্রতি আত্নবিশ্বাসী হয়ে পড়ি। নতুন করে বাঁচতে শিখি। আল্লাহর রহমতে সবকাজ করতে পারি। বর্তমানে আমার কয়েকটি ধানের জমি আমি একপায়ে লাঠি ভর করে রোপণ করেছি। আমি আমার জীবন নিয়ে কখনো হতাশ না। কারণ সৃষ্টিকর্তা যা করেন ভালোর জন্যই করেন।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/হাদি/আরএএম