শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : শিক্ষা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

অনশনরত ২০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে


DhakaReport24.com || 2022-01-24 12:10:15
অনশনরত ২০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে
অনশনরত ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

 

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে গেল ১১ দিন ধরে আন্দোলন করছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) শিক্ষার্থীরা।  অনশনরত এ সব শিক্ষার্থীদের এখন ২০ জন অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকলেও উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ শিক্ষার্থীদেরকে নানাভাবে হয়রানির চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এর আগে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ হামলা করান উপাচার্য। 

গত বুধবার থেকে অনশন চালিয়ে যান ২৩ শিক্ষার্থী। এরমাঝে গতকাল রোববার থেকে গণ অনশনে নতুন করে আরও ৫ জন শিক্ষার্থী অনশনে বসেছে। এনিয়ে বর্তমানে মোট ২৮ জন শিক্ষার্থী অনশন করছেন।  

এদিকে শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশি হামলার পরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা গত ১৭ জানুয়ারি থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিলে তিনি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে থাকে। এর মাঝে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষক সমিতির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে চারটি ধাপ উল্লেখ করেন৷ উপাচার্যের পদত্যাগের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন, উপাচার্যের পদত্যাগের বিষয়টি সরকারের এখতিয়ার ভুক্ত, এক্ষেত্রে অতি দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

এদিকে সন্ধ্যায় উপাচার্যের বাসভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় নিন্দা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি। নিন্দা জানিয়ে তারা বলেন, শিক্ষক সমিতি এই ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড একেবারেই সমর্থন করে না এবং আন্দোলনকারী সব ধরনের সহিংসতা কর্মকাণ্ড পরিহার করবে বলে আশা করেন।

রোববার শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে মানবপ্রাচীর তৈরি করেছে। মানব প্রাচীরের সামনে উপাচার্যের বাসভবনের গেইটে সামনে প্রথম থেকে পুলিশ অবস্থান করছে। এর আগে শিক্ষার্থী সংবাদ সম্মেলনে করে নাফিজা আনজুম নামের আন্দোলনরত শিক্ষার্থী বলেন, পরিস্থিতি যেভাবে এগুচ্ছে, এতে আমাদের বাধ্য করা হচ্ছে আরো কঠোর কর্মসূচির দিকে যেতে। তারা বলেছিল ভিসির বাসভবনে কেবল পুলিশ এবং গণমাধ্যম কর্মী ছাড়া কেউ ঢুকতে পারবে না। ভবিষ্যতে তারা ভিসির বাসভবনের জরুরি পরিসেবা বন্ধ করতে বাধ্য হবেন।