শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : শিক্ষা

কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করে কলেজ খোলা সম্ভব: ফাউসি


DhakaReport24.com || 2020-09-05 21:47:30
কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করে কলেজ খোলা সম্ভব: ফাউসি


প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা করা, মাঝে মাঝে নজরদারি পরীক্ষা এবং সহজলভ্য কোয়ারেন্টিন স্থানসহ কেবল কয়েকটি প্রটোকল থাকলে কলেজগুলো খুলে দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অ্যান্থনি ফাউসি।

সিএনএনের সঙ্গে ফোনকল সাক্ষাত্কালে দেশটির জাতীয় অ্যালার্জি ও সংক্রামক রোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ফাউসি বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পরীক্ষা করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং কভিড-১৯ আক্রান্ত হলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি পরিকল্পনা থাকতে হবে।

ফউসি ভাইরাস আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট কোয়ারেন্টিন স্থান নির্ধারণের প্রয়োজনীয় পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আপনি যদি ভালোভাবে এটি পরিচালনা না করেন, তবে পুরো বিষয়টি ভেঙে পড়তে পারে। আপনি তাদের বাড়িতে পাঠাতে পারবেন না। কারণ আপনি যদি তাদের বাড়িতে পাঠান তাহলে তারা যে পরিবার বা গোষ্ঠী থেকে এসেছিল, সেখানে তারা ফিরে যাবে এবং কলেজের সীমানার বাইরে সংক্রমণ ছড়িয়ে দেবে।

ফাউসি শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে পরীক্ষা নেয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, ক্যাম্পাসে কেউ কভিড-১৯ আক্রান্ত নেই, এটা ধরে নেয়া অবাস্তব হবে। যেখানে সম্প্রদায়ের মধ্যে একজনও আক্রান্ত আছে, সেখানে কোনো শিক্ষার্থী আক্রান্ত হবে না, এটা প্রায় অসম্ভব। তবে পরীক্ষার পর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করালে কমপক্ষে আপনি সংক্রমণহীন অবস্থায় কার্যক্রম শুরু করতে পারেন।

তিনি কিছু বিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন। তবে তারা ব্যক্তিগত নির্দেশে প্রতিষ্ঠান না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত তারা প্রয়োজনীয় প্রটোকলগুলো পরিচালনা করতে পারেনি। যদিও তিনি বিদ্যালয়গুলোর নাম প্রকাশ করতে চাননি। তিনি বলেন, যে স্কুলগুলো উন্মুক্ত হয়েছে সেখানে সামাজিক দূরত্বের দিকনির্দেশনাগুলো লঙ্ঘন করা হয়েছে, যা কভিড-১৯ সংক্রমণ বৃদ্ধির মূল কারণ।

অ্যান্থনি ফাউসি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যালয়গুলো এ পরিকল্পনা অনুসরণ করেছে এবং সেগুলো এখন পর্যন্ত সফল হয়েছে। আমি মনে করি এ পরিকল্পনা বেশ পরিষ্কার। আমি বলতে চাইছি এটা প্রমাণ করার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোনো গবেষণা হয়নি। তবে পরিস্থিতিগত প্রমাণগুলো বেশ জোরালো যে আপনি যখন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ফিরে পাবেন এবং তারা মাস্ক ছাড়াই এক সঙ্গে জমায়েত হবে তখন এটা প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার রেসিপি।

যদিও ফাউসির তিন সন্তানের মধ্যে কেউই কলেজপড়ুয়া নয়। তবুও তিনি বলেছেন, প্রতিষ্ঠান যদি এ মানদণ্ডগুলো পুরোপুরি পূরণ করতে পারে, তবেই আমি আমার সন্তানদের সে কলেজে পাঠাব। এটা সত্যিই প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করবে যে তারা এগুলোর কতটুকু পূরণ করতে পারছে। মানদণ্ডগুলো পূরণ করতে না পারলে কোনো অভিভাবকই তাদের সন্তানদের কলেজে পাঠিয়ে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে না। যদি তারা সবাইকে পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে সক্ষম হয়, তাহলে নিশ্চিত হওয়া যাবে যে বাকি শিক্ষার্থীরা ভাইরাসটিতে নেগেটিভ। আর এতে করে আমি আমার সন্তানদের পাঠাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করব।

সিএনএন