শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬

২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬

২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির আটক

>> ইরানে হামলা না চালালে ইসরাইল পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যেত: ট্রাম্প

>> ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ভেতর বাসে আগুন

>> ইরানের ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

>> পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি এখনো চূড়ান্ত হয়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

>> তাহসিফের মৃত্যু: রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন বান্ধবী দিশা

>> ৪ দেশের জন্য হরমুজের দরজা খুলে দিল ইরান

>> গোপালগঞ্জে সাবেক ৩ ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

>> অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী

>> যুক্তরাষ্ট্রে ৫৪৮ জনের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর

আপনি পড়ছেন : স্বাস্থ্য

রাঙ্গাবালীতে চোখ উঠা রোগের চিকিৎসা পাচ্ছেনা রোগীরা


মাহমুদুল হাসান- রাঙ্গাবালী প্রতিনিধি
DhakaReport24.com || 2022-10-17 12:24:00
রাঙ্গাবালীতে চোখ উঠা রোগের চিকিৎসা পাচ্ছেনা রোগীরা

রাঙ্গাবালীতে নেই হাসপাতাল, প্রায় দুই লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসা সেবা নিতে হয় পাশের দুই উপজেলা গলাচিপা ও কলাপাড়ার হাসপাতাল থেকে । চারদিকে নদী বেষ্টিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হওয়ায় নেই কোন ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা। পথেই জীবন দিতে হয়েছে অনেক ডেলিভারি ও মুমূর্ষ রোগীকে। এদিকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এখন চোখ ওঠা রোগের রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। স্থানীয় ফার্মেসী থেকে যে সব চিকিৎসা নেওয়া হয় তাতেও ভালো হচ্ছেনা চোখ উঠা রোগ। চোখ ওঠার কারণে অনেকের চোখ লাল হয়ে পানি পড়ে। কারো কারো চোখের পাতা ফুলে চোখ দিয়ে পানি ঝড়ছে। অনেকেই চোখের যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে পড়েছে। স্থানীয় চিকিৎসকেরা বলছে, চোখ উঠা রোগ এটি হলো এক ধরনের ভাইরাস (ছোয়াছে রোগ), তবে ঔষধ ড্রপ সঠিক সময়ে ব্যবহার করতে না পরলে হয়তো কিছু দিন কষ্ট করতে হবে। এটি বড় ধরনের রোগ না। তাই চিকিৎসকরা ড্রপ ব্যবহারের পাশাপাশি কালো চশমা পড়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজার গুলোর ফার্মেসীগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, শিশু, কিশোর, নারী ও পুরুষের চোখ ওঠার কারণে চোখে কালো চশমা পরিধান করে চলাচল করতে দেখা গেছে। বাজারে বিভিন্ন ফার্মেসীতে গিয়ে রোগীরা চোখ ওঠার ঔষধ ও খোঁজে পাচ্ছেন না।

উপজেলার ফার্মেসীগুলোতে চোখ ওঠা রোগের ঔষধ সংকট দেখা দিয়েছে। ফার্মেসীগুলোতে চোখ ওঠা রোগের ঔষধ সংকটের কারণ সম্পর্কে জানতে কথা হয় ‘মৌডুবী মেডিকেল হল’ ফার্মেসী মালিক আজাদ এর সাথে, তিনি  জানান, ১৫ দিনের বেশি সময় ধরে চোখের রোগীর পরিমাণ বাড়ছে। আপনি মনে করেন, আমার ফার্মেসীতে দৈনিক ৩০টি ও বেশি চোখ ওঠা রোগী আসে। আমি যেমন কোম্পানিগুলো থেকে দৈনিক চোখে ড্রপ পাই যেমন ২০টি । তাই মাঠে ড্রপের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আমরা ড্রপ রোগীকে দিতে পারি না।

স্থানীয়রা জানান, সরকার প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র করলেও আমাদের মেীডুবী ইউনিয়নে নেই কোনো স্বাস্থ্য কেন্দ্র। তাছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে একজন উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার থাকার কথা থাকলেও আমাদের ইউনিয়নে তাও নেই। সরকারের কাছে আমাদের আবেদন, আমাদের ইউনিয়নে যেনো একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও একজন উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দেয়া হয়।

মেীডুবী ইউনিয়নের মুখরবান্দা কমিউনিটি ক্লিনিকের সি এইস সি পি মোঃ নাঈমুর রহমান বলেন, মুখরবান্দা কমিউনিটি ক্লিনিক হচ্ছে মেীডুবী ইউনিয়নের একমাত্র সরকারি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র, এখানে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন রোগী সেবা নিতে আসে। কমিউনিটি ক্লিনিকে সাধারণ সেবা (সাধারণ সর্দি কাষি, জ্বর ও আমাশয় ইত্যাদি) গর্ভকালীন , প্রসব কালীন , প্রসবপরবর্তী সেবা দেয়া হয়। এছাড়াও নবজাতক শিশুদেরকে সেবা দেয়া হয়। তাছাড়া  কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করা হয়। জটিল কঠিন রোগী আসলে আমরা উপজেলা বা সদর হাসপাতালে রেফার করে থাকি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত) মোঃ আব্দুল মমিন বলেন, চোখ ওঠা রোগ কোন কঠিন রোগ নয়, ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সাধারণত রোগ ভালো হয়ে যায়। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে পরিষ্কার তুলা বা সাদা নরম কাপড় চোখের পাতা আলতো করে পরিষ্কার করতে হবে। হালকা গরম ছেক দিতে পারবে। চোখের ওপর চাপ পড়ে এমন কোন কাজ এ সময় করা যাবেনা। মোবাইল ব্যবহার করা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকা যাবেনা। এ রোগ দেখা দিলে চোখ একটু জালাপোড়া করবে। চোখ লালচে হয়ে থাকবে। নিয়মিত ড্রপ ব্যবহার করবে, ইনশাআল্লাহ এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। 

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমজার/আরএএম