মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, কলেরা বা ডায়রিয়ার প্রকোপ রোধে ১০ থেকে ১৫ মে মাসের মধ্যে ৭৫ লাখ কলেরা ভ্যাকসিন দেশে আসবে।
তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) আমাদের ৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন (৭৫ লাখ) কলেরা ভ্যাকসিন দেবে।
বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরষদ সভা শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, মূলত শুকনো মৌসুমে দক্ষিণাঞ্চলে ডায়রিয়া হতো। এখানেও হয়েছে, এর কয়েকটি কারণ আমরা বের করেছি। বিষয়গুলো কেবিনেটেও আলোচনা হয়েছে।
আমরা যাচাই করে দেখলাম, ওয়াসা যে পানি দেয়, তার পাম্পে কোথাও ব্যাকটেরিয়া নেই।কোনো পাম্পের পানিতেই ব্যাকটেরিয়া নেই। মূল সমস্যা পাইপলাইন। পাইপলাইনের লিক দিয়ে ব্যাকটিরিয়া প্রবেশ করছে।
বিশেষজ্ঞরা আমাদের বলেছেন, কয়েকটি জায়গায় তারা পানি টেস্ট করে দেখেছেন, ক্লোরিনের একটু ঘাটতি আছে। এটাও এই পরিস্থিতির একটি বড় কারণ। এটা সঙ্গে সঙ্গে ওয়াসাকে পয়েন্ট আউট করার ফলে তারা গিয়ে ক্লোরিনের মাত্রা ঠিক করেছে, এটা এখন ঠিক হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, আমাদেরকে সৌদি আরব, কুয়েত কাতার থেকে জানানো হয়েছে যে, তোমাদের লোকজন যারা আছে, তাদের অনেকের মধ্যে আমরা ডায়রিয়ার জীবাণু পাচ্ছি। এটার একটা কারণ হয়, গ্রামের পানিতে কিন্তু ব্যাকটেরিয়া নেই।
আমাদের টেকনিক্যাল লোকজন যেটা বলছে, যারা বিদেশে যান তারা এয়ারপোর্টের আসে পাশে দুই তিন দিন থাকেন, ছোটখাটো হোটেলগুলোতে। আমরা গত ১০-১২ দিন ধরে ইতোমধ্যে ইন্সট্রাকশন দিয়ে দিয়েছি, এখন তারা অপারেশন চালাচ্ছেন।
ওয়াসার টিম গিয়ে দেখছে, হোটেলের পানি কেমন। আক্রান্তের একটি বড় অংশ কিন্তু যারা বাইরে খায়, মেসে খায়, তারই বেশি এফেকটেড হচ্ছে। বাসার লোকরা কম অ্যাফেকটেড হচ্ছে।।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/ওজি/আরএএম