বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

২১ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

২১ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

>> ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের পরিবর্তন চান ভোটাররা : ভ্যান্স

>> ৮ শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু

>> ইয়েমেনে সৌদির ব্যাপক হামলা, নিহত ২০

>> জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেফতার ইকবাল সোবহান

>> জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত

>> মেট্রোরেলসহ তিন প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়ন চায় বাংলাদেশ

>> একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

>> প্রমাণ মিলেছে যৌন হয়রানির রিপোর্ট কখনই প্রকাশ করবে না বিসিবি

>> মার্কিন ভোটাররা বিরক্ত হলে ইসরাইলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হবো: ট্রাম্প

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ, তীব্র যানজট


DhakaReport24.com || 2024-10-19
চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ, তীব্র যানজট

এলজিইডির আওতায় বিভিন্ন প্রকল্পে ও মাস্টাররোলে কর্মরতদের চাকরি স্থায়ী করে রাজস্বকরণের দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছে এলজিইডি ঐক্য পরিষদ। এতে ৩ ঘণ্টার বেশি সময় শাহবাগ মোড় দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ৯ টার পর থেকে এই আন্দোলনকারীরা শাহবাগে জড়ো হন। পরে তারা শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন। আন্দোলনকারীরা বিকেল পর্যন্ত শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলে জানা গেছে।

আন্দোলনের সমম্বয়ক আব্দুর রাকিব সনেট বলেন, জনগণের সেবা প্রদানের জন্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তর, অধিদপ্তর ও পরিদপ্তরে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োজিত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে এটি আউটসোর্সিং নীতিমালা ২০১৮ -এর প্রতিষ্ঠিত, যা একটি কালো আইন।

তিনি বলেন, এর দ্বারা সরকার এবং কর্মরতদের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। অন্যদিকে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো টেন্ডার ব্যবসার মাধ্যমে মূল্যবান অর্থ আত্মসাৎ করে যাচ্ছে। জনবল সরবরাহের নামে তারা কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

তাই সরকারি অর্থ অপচয় না করে আউটসোর্সিং নীতিমালা বাতিল এবং এ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ী করে রাজস্বভুক্ত করার দাবি জানান তিনি।

আরেক সমম্বয়ক দেলোয়ার হোসেন বলেন, রাজস্বকরণ করলে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে না। প্রতিমাসে যে পরিমাণ টাকা ঠিকাদারকে দেওয়া হচ্ছে, তা বন্ধ হলেই সরকারের সঞ্চয় হবে। যার আসল ও লভ্যাংশ থেকে রাজস্বকৃতদের অতিরিক্ত যাবতীয় ব্যয় বহন করা সম্ভব।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম