বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

২১ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

২১ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> নতুন প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া

>> ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০৮৮ মামলা

>> ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

>> রাজধানী থেকে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার

>> ৫০০ টাকার মুচলেকায় জামিন পেলেন পরীমনি

>> আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

>> বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ল

>> ক্ষমতাচ্যুতরা সীমান্তের ওপার থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী

>> শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাশ দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

>> আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

তিস্তা প্রকল্পে সহায়তা করতে চায় ভারত-চীন: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী


DhakaReport24.com || 2024-07-07
তিস্তা প্রকল্পে সহায়তা করতে চায় ভারত-চীন: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মুহিববুর রহমান বলেছেন, তিস্তা প্রকল্পে ভারত এবং চীন উভয় দেশই সহযোগিতা করতে চায়। ভালো খবর হলো, ভারত এবং চীন এ প্রকল্পে একত্রে কাজ করতে রাজি হয়েছে।

রোববার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিস্তা প্রকল্পে ভারত এবং চীন দুই দেশই ফান্ড দিতে চাচ্ছে। ভালো খবর হলো, ভারত এবং চীন এ প্রকল্পে একত্রে কাজ করতে রাজি হয়েছে। এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী পরিস্কারভাবে বলেছেন, ‘কার কাছে থেকে অর্থ নিলে দেশ উপকৃত হবে, বাংলাদেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ থাকবে, তার থেকেই আমরা অর্থ নেবো। এটাই হলো সবচেয়ে বড় দেশপ্রেমের কথা’।

তিনি বলেন, বন্যার পানি আসলেই দ্রুত সেটা ড্রেজিং করে বঙ্গোপসাগরে নিয়ে যেতে হবে। তিস্তা ব্যারেজ কিন্তু এই প্রকল্পের একটি অংশ। উজান থেকে পানি আসলে তো করার কিছুই নেই। বন্যার পানি যাতে দ্রুত নিস্কাশন করা যায় সে বিষয়ে সরকার কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, পানি ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই যাতে নিস্কাশন হয় সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি। বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে ডিসিদের আঞ্চলিকভাবে ব্যবহারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ ব্যয় করে তাৎক্ষণিক সমস্যা মোকাবিলা করতে পদক্ষেপ নিতে পারবেন তারা।

দেশের অনেক অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ পর্যাপ্ত ত্রাণ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে এমন প্রশ্নে তিনি আরও বলেন, যেসকল এলাকায় বন্যা হয়েছে, সেসব জেলার ডিসি নিশ্চিত করেছেন যে তাদের পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ আছে। পরিস্কার বলতে চাই ত্রাণের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেউ ত্রাণ না পাওয়ার কোনো কারণ নেই। তারপরও যদি এমন তথ্য আমাদের কাছে আসে, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব। এছাড়া ৯৯৯-এ কল দিলেও খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হবে। বাংলাদেশের এমন কোনো গ্রাম-ইউনিয়ন নেই, যেখানে আমাদের স্বেচ্ছাসেবী নেই। এখন পর্যন্ত আমাদের কোথাও কোনো ঘাটতি নেই।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের প্রতিটি জেলায় বন্যাকালীন ত্রাণ সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়ে রাখা হয়েছে। এ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। ভবিষতেও দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছি। সমগ্র পৃথিবীতে দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ একটা মডেল।

মুহিববুর রহমান বলেন, বন্যা পরবর্তী ক্ষতি যাতে মানুষ কাটিয়ে উঠতে পারেন, সেসব বিষয়েও কাজ করছি। বন্যায় ত্রাণ সরবরাহে যাতে কোনো সমন্বয়হীনতা না থাকে, সেদিকে খেয়াল রেখে সব জেলার ডিসির সাথে জুম মিটিং করেছি। তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম