ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে স্থগিত হওয়া দেশের উপকূলীয় ১৯টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার (৯ জুন) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ কোনো বিরতি ছাড়া চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
ইসি জানায়, এই উপজেলাগুলোতে তৃতীয় ধাপে ২৯ মে ভোটগ্রহণের কথা ছিল। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে তখন নির্বাচন স্থগিত করে কমিশন।
উপজেলাগুলোর ১৭৯টি কেন্দ্রে শনিবার ব্যালট পেপার পৌঁছানো হয়। রোববার ভোরে ব্যালট পেপার যায় বাকি কেন্দ্রগুলোতে। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে সবধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
১৯ উপজেলার মধ্যে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ইভিএমে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। বাকিগুলোতে হচ্ছে ব্যালট পেপারে।
যেসব উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে সেগুলো হলো- নেত্রকোণার খালিয়াজুরী; বাগেরহাটের শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ ও মোংলা; খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া; বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া; পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকী; পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া; ভোলার তজুমদ্দিন ও লালমোহন; ঝালকাঠির রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া এবং বরগুনার বামনা ও পাথরঘাটা উপজেলা।
এই ধাপে ৩৩০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১১৯ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৩২ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৯ জন রয়েছেন। এসব উপজেলার মোট এক হাজার ১৮১ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটার রয়েছেন ৩০ লাখ ৪৬ হাজার ৮৮ জন।
এর আগে চার ধাপে ৪৬৬ উপজেলায় নির্বাচন হয়েছে৷ বিএনপিসহ কয়েকটি বিরোধী দল এবারের নির্বাচন বর্জন করায় শুরু থেকেই ছিল ভোটারের খরা। চার ধাপেই ভোটগ্রহণের হার ৪০ শতাংশের নিচে রয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আজকের নির্বাচনেও ভোটার উপস্থিতি খুব একটা বাড়বে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম