কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সার ও বীজের বন্টনসহ সবকিছুই সমবায়ের মাধ্যমে কৃষিকে ঢেলে সাজানো হবে। সারাদেশে শস্য সংরক্ষাণাগার গড়ে তোলা হবে।
শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকালে কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গণভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এটা করতে পারলে জীবনেও কোনো খাদ্যের অভাব হবে না।
সরকার বছরে ২৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার দেখানো পথে সমবায় কৃষি নিশ্চিত করা হলে দেশে কখনও খাদ্যের অভাব হবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক সময় যারা নুন-ভাতের কথা বা ডাল ভাতের কথা চিন্তাও করতে পারত না, এখন তারা মাছ-মাংস ডিমের কথাও চিন্তা করে। ফলে যারা সরকারের সমালোচনা করেন তাদের সেগুলো মাথায় রেখে উন্নয়ন হয়েছে কি না তা বিবেচনা করতে হবে।
কারো কাছে হাত পাতা নয় উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। নিজেদের খাদ্য নিজেরাই উৎপাদন করব। উদ্বৃত্ত থাকলে অন্যকে সাহায্য করব।
এ সময়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, বিএনপি এক টার্মেই চালসহ সব কিছুর দাম তিনগুণ বাড়িয়েছিল। মূল্যস্ফীতি নিয়ে গিয়েছিল ১১ তে। ২০০১ এ ক্ষমতা ছাড়ার সময় ২৬ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য উদ্বৃত্ত ছিল। এরপর বিএনপি ক্ষমতায় এসে ৩০ লাখ মেট্রিকটন টন খাদ্য ঘাটতিতে ফেলে দেশকে।
তিনি আরও বলেন, ৭৫ পরবর্তী সময়ে যারা ছিল, তাদের মূল আগ্রহ ছিল ব্যবসা করা।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমআর/আরএএম