বিভিন্ন উৎসবে সব মানুষই চায় একটু ভালো আয়োজন করতে। এজন্য সবাই চায় ঈদের আগের দিন বাজার থেকে সবচেয়ে ভালো কিছু কিনে আনতে। আর তখন সবারই পছন্দের তালিকায় থাকে গরু বা মুরগির গোশত। তবে, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে চাহিদা বাড়ায় রাজধানীর গরু ও সব ধরনের মুরগির গোশতের দাম বেড়েছে।
জানা যায়, রাজধানীতে গরুর গোশতের দাম ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা বেড়ে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং সব ধরনের মুরগির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। খিলগাঁও, মালিবাগ, শান্তিনগর, রামপুরা বাসাবোসহ বিভিন্ন এলাকার গোশতের বাজার ঘুরে দেখা গেছে ব্যবসায়ীরা গরুর গোশত বিক্রি করছেন প্রতি কেজি ৭০০ টাকা (গড়) থেকে ৭৫০ টাকা (প্রিমিয়ার কোয়ালিটি)।
মুগদা এলাকার গোশতের দোকানে গরুর গোশত বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, যদিও তালিকায় প্রতি কেজি ৭০০ টাকা লেখা।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছরের মতো এবারো ঈদে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় রমজানের প্রথম থেকে ২৬ রোজা পর্যন্ত প্রতি কেজি ছিল ৬৫০ থেকে ৬৮০ টাকা এবং শুক্রবার থেকে গরুর গোশত প্রতি কেজি ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা গবাদি পশুর উচ্চ মূল্য এবং তাদের পরিবহনের উচ্চ খরচকে দায়ী করেছেন।
গরুর গোশত কিনতে বাজারে আসা শান্তিনগরের বাসিন্দা ইয়াকুব জানান, ‘রমজানের শুরুতে আমি এক কেজি গরুর গোশত ৬৫০ টাকায় কিনতাম। আজ ৭৫০ টাকায় কিনলাম। আমাদের বলার কিছু নেই।’
এছাড়া ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে।
কাপ্তান বাজারের মুরগির ব্যবসায়ী সোহাগ জানান, শনিবার তিনি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করেছেন ১৭০ টাকা কেজি, যা রোববার ১৯০ টাকা কেজি।
তিনি বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে আমি এটি প্রতি কেজি ১৬০ টাকায় বিক্রি করেছি। সোনালী ও লেয়ার মুরগির দামও বেড়েছে। রোববার সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা, যা রমজানের শুরুতে প্রতি কেজি ছিল ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা। লেয়ার (লাল) মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৮০ টাকায় এবং সাদা লেয়ার মুরগি ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ফারুক চিকেন অ্যান্ড ব্রয়লার হাউজের মালিক মহিন উদ্দিন বলেন, মুরগির আমদানি কম। এছাড়া পরিবহন খরচও বেশি। এজন্যই মুরগির দাম বেড়েছে।
সূত্র: ইউএনবি
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/আরএ/আরএএম