কক্সবাজারের পেকুয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিকিউরিটি গার্ড রিদুয়ানের বিরুদ্ধে ইমারজেন্সি বিভাগে ভর্তিকৃত রোগীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
হাসপাতালের একটি পক্ষ বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য কৌশলে প্রকাশ করতে দেয়নি।পরবর্তীতে বিষয়টি সাংবাদিকদের কানে গেলে হাসপাতাল কতৃপক্ষ জরুরী মিটিং ডেকে চাকরি থেকে বহিষ্কারের জন্য সুপারিশ করে।অভিযুক্ত রিদুয়ান পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনজিও PSD কতৃক চলতি বছরের (১লা এপ্রিল) সিকিউরিটি গার্ড পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।তার বাড়ী চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের কুতুব বাজার এলাকায়।
ভুক্তভোগী উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা শিশু সন্তানের জননী।প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, (১৬ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৩য় তলা ইর্মাজেন্সী বিভাগের ভর্তিরত রোগীর কক্ষে গিয়ে ৩ জন রোগীকে কাপড় উঠিয়ে ছবি তুলে।
তার চিৎকার শুনে ওয়ার্ড়ের কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা এগিয়ে আসলে রিদুয়ান পালিয়ে যায়।
ভিকটিম বলেন,সন্তান অসুস্থতার কারণে সন্ধ্যা বেলা ইমারজেন্সী বিভাগে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্তানকে নিয়ে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিলে,হাসপাতালে ভর্তি হয়।রাত ৩টার দিকে সিকিউরিটি গার্ড রিদুয়ান জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় তিনি আরো বলেন, মানুষ বিপদে পড়ে হাসপাতালে যায়, সেখানেও যদি নিরাপদে না
থাকতে পারে তাহলে কোথায় নিরাপদ থাকবে?
অভিযুক্ত রিদুয়ানের কাছে জানতে চাইলে সে অভিযোগ স্বীকার করে, প্রথম বারের মত ক্ষমা করে দিতে বলেন।
এই বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.মহিউদ্দিন মাজেদ চৌধুরী বলেন,"বিষয়টি খুবই স্পর্শ কাতর,আমরা ডাকার পর সে স্বীকার করেছে। কতৃপক্ষ জরুরী মিটিং করে তাকে চাকরি থেকে বহিষ্কারের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হবে"।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমএম/আরএএম