প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের চারণভূমি কক্সবাজার পরিচ্ছন্ন ও সচেতনতা সৃষ্টিতে ‘বিচ ক্লিনিং প্রোগ্রাম’আয়োজন করছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
২০ মার্চ (রবিবার) কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা বিচে এ প্রোগ্রামটি অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ১৪তম আবর্তনের শিক্ষার্থীরা এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষক মহোদয়। এছাড়া এসময় উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার গ্রিন ভয়েসের প্রতিনিধি ও বহ্নিশিখা শাখার প্রতিনিধিরা।
"পরিবেশ সংরক্ষণ করুন, সমুদ্র বাঁচান" এই স্লোগানে আয়োজিত বিচ ক্লিনিং প্রোগ্রামটি অনুষ্ঠিত হয়।
এসময়ে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের উদ্যোগে আজকের এই প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করেছি। লাবনী পয়েন্ট থেকে সুগন্ধা বিচ পয়েন্ট পর্যন্ত আমরা বিচ ক্লিনিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। আমরা বিভিন্ন ধরনের ময়লা, বর্জ্য ও প্লাস্টিক পদার্থ সংরক্ষণ করে তা অপসারণের ব্যবস্থা করেছি।
তিনি আরও বলেন, সমুদ্র দূষণ অন্যতম প্রধান কারণ প্লাস্টিক দূষণ। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণের মাধ্যমে আমরা আমাদের সমুদ্রকে বাঁচিয়ে রাখতে পারব।
ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিউটন হাওলাদার বলেন, প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্বে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেলতে হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসে। কিন্তু আমাদের ফেলে আসা ময়লা-আবর্জনা সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য যেমন নষ্ট করছে, তেমনি আমাদের পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে। তাই সবার মাঝে সচেতনতা বাড়াতে ‘বিচ ক্লিনিং প্রোগ্রাম’ আমাদের ক্ষুদ্র একটা প্রয়াস। আসুন আমরা সচেতন হই, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এ চারণভূমিগুলোকে বিনষ্ট না করি।
শিক্ষার্থীরা জানান, আজকের প্রোগ্ৰামটার মধ্যে দিয়ে আমরা সবার মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিদানে কাজ করেছি। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে সমুদ্রের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এছাড়া জলজ প্রাণির ক্ষতিসাধন ও বাস্তুসংস্থানেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তাই সবাইকে পরিবেশ রক্ষায় সমুদ্র বাঁচাতে কাজ করতে হবে।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/আরএ/আরএএম