এক হাজার কোটি টাকার পুনঃ অর্থায়ন তহবিল গঠন করেছিল চলচ্চিত্রের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সিনেমা হলগুলোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই প্রকল্পের আওতায় সর্বপ্রথম অগ্রণী ব্যাংক ৩৫টি প্রজেক্ট প্রফাইল গ্রহণ করেছে। এর আগে তিন ক্যাটাগরিতে ৪৪টি নাম দেওয়া হয়েছিলো। বুধবার (১৮ আগস্ট) অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই ফাইল জমা নেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শামস-উল-ইসলাম।
রাইফা (আড়াই হাজার), হিরক (গাইবান্ধা), সনি, ঝংকার, ধুনট (বগুড়া), ডি এ তায়েব (মির্জাপুর), সেভেন স্টার (আত্রাই), ঢাকা সিনেপ্লেক্স (সাভার), চৌধুরী (বসুরহাট) চৌধুরী (কুমিল্লা), লক্ষীপুর সিনেপ্লেক্স, নিউ স্বপ্নপুরী (শ্রীনগর) সহ মোট ৩৫টি নতুন প্রজেক্ট প্রফাইল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ সময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক দুই কোটি টাকার ঋণ প্রনোদণা গ্রহণে এক সপ্তাহ এবং অনুর্ধ্ব ১০ কোটি টাকা গ্রহীতার ঋণপ্রাপ্তির জন্য সর্বোচ্চ এক মাসের সময় নির্ধারণ করেন।
মোহাম্মদ শামস-উল-ইসলাম বলেন, ফাইলগুলো যাচাইবাছাই করতে এই সময় দরকার হবে। যার কাগজপত্র স্বচ্ছ, অগ্রণী ব্যাংকে সিনেমা হল বা সিনেপ্লেক্সের নামে অ্যাকাউন্ট রয়েছে তার ফাইলটি প্রাধান্য দেওয়া হবে। এ সময় তিনি দ্রুত অগ্রণী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট হোল্ডার হওয়ার তাগিদ দেন।
বুধবার অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন উজ্জল, সিনিয়র সহ সভাপতি মিয়া আলাউদ্দিন, সহ সভাপতি ও নিউ গুলশান সিনেমা হলের কর্ণধার আমির হামযা, বগুড়ার মধুবন সিনেপ্লেক্সের কর্ণধার রোকুনজ্জামান ইউনুস রুবেলসহ অর্ধ শতাধিক হল মালিক উপস্থিত ছিলেন।
প্রদর্শক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন উজ্জল এ সময় অগ্রণী ব্যাংকের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন- আপনারা দেখেছেন ভালো সিনেমার অভাবে হলগুলো গোডাউনে পরিণত হয়েছে। আবার ভালো সিনোমা যখন এসেছে তখন বন্ধ সিনেমা হলগুলো খুলেছে এবং চলছে। বিশেষ করে মানসম্পন্ন সিনেমা হল ও সিনেপ্লেক্সগুলো ব্যবসা করছে। এর অর্থ দর্শক আরামদায়ক পরিবেশে ছবি উপভোগ করতে চায়। সরকার এই পরিবেশ সৃষ্টির জন্য যে পদক্ষেপ নিয়েছে সেই পদক্ষেপে অগ্রণী ব্যাংকের আগ্রহ ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে উৎসাহ যোগাবে।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমএ/আরএএম