বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬

৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬

৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> প্রতিমন্ত্রীর সামনেই ছাত্রদলের দু’পক্ষের সংঘর্ষ

>> যুবদল নেতার নেতৃত্বে ৬৭ টন মুরগির বিষ্ঠা লুট, গ্রেপ্তার ২

>> যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের ছেলেকে ফিলিস্তিনে গাড়িচাপা

>> জাতিসংঘকে ‘অকার্যকর সংস্থা’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট

>> ১১টি উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

>> জাতিসংঘে ট্রাম্পের হুমকির কড়া জবাব দিলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট

>> কক্সবাজারে সৈকত থেকে ৩ মরদেহ উদ্ধার

>> ফুডপান্ডার এমডিসহ ঊর্ধ্বতন ৫ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

>> বহুল আলোচিত গ্রিনল্যান্ড চুক্তিতে যা থাকছে

>> গাজীপুরে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩

আপনি পড়ছেন : চুয়াডাঙ্গা

টুং-টাং শব্দে মুখরিত জীবননগরের কামার পাড়া


সালাউদ্দীন কাজল, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
DhakaReport24.com || 2026-05-23
টুং-টাং শব্দে মুখরিত জীবননগরের কামার পাড়া

পবিত্র ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন। কোরবানির পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুত করার জন্য ছুরি, বটি, দা, চাপাতি, ডাঁসাসহ দেশিয় অস্ত্র তৈরি ও পুরাতন যন্ত্রপাতি ঘষামাজার কাজ সেরে নিচ্ছেন সবাই। এই কাজে ব্যস্ততা বেড়েছে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের কামার শিল্পের শ্রমিকদের। সেই সাথে বেড়েছে তাদের আয় রোজগারও। লোহাকে কয়লার আগুনে পুড়িয়ে লাল টকটকে করে ঠেঙ্গিয়ে-ঠেঙ্গিয়ে তৈরী করা হচ্ছে দেশীয় অস্ত্র। যেন টুং টাং শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে কামার পাড়া।

জীবননগর উপজেলার সীমান্ত, হাসাদাহ, বাঁকা, আন্দুলবাড়ীয়া, উথলী এলাকা ঘুরে একই দৃশ্য চোখে পড়েছে।

জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামের ঈশ্বর নরেন্দ্রনাথ কর্মকারের ছেলে শ্রী অনীল কুমার কর্মকার উপজেলার বেশ পরিচিত একজন কামার। তিনি তার বাবার হাত ধরে দীর্ঘ ৪৮ বছর এই কামার শিল্পের সাথে জড়িত। এখন তার একমাত্র ছেলে শ্রী অমল কুমার কর্মকারকে সাথে নিয়ে এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, সারা বছরেই তারা এই কাজ করে থাকেন। তবে কুরবানীর ঈদ আসলেই দা, বটি, ছুরি, ডাঁসা তৈরি ও পুরাতন অস্ত্র ঘষামাজার কাজের চাপ পড়ে যায়। কাজের প্রচণ্ড চাপ তার ওপর বিদ্যুতের লোডশেডিং।বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচন্ড গরমের মধ্যে আগুনের পাশে বসে কাজ করাটা তাদের জন্য অনেক কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যে কাজগুলো করার অর্ডার নেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র সেই কাজগুলোই করছেন নতুন করে কাজের অর্ডার আর নিচ্ছেন না।

নতুন অস্ত্র তৈরির খরচ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বর্তমান লোহার দাম অনেক বেড়ে গেছে। এ কারণে ১ কেজি ওজনের লোহার একটি দা বা বটি তৈরি করতে ১৫০০ টাকা নিয়ে থাকি। এছাড়াও ছুরি তৈরি করতে ছুরির সাইজ অনুযায়ী টাকা নেওয়া হয়। পুরাতন অস্ত্র ঘষামাজা করতে ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০ টাকা নিয়ে থাকি। অনীল কামারের মত কামার পাড়ায় অন্যান্য কামরেরাও এখন ব্যাস্ততম সময় পার করছেন।

আব্দুল ওয়াহেদ নামের এক কামার জানান, সারাবছর তেমন কাজের চাপ থাকেনা। কোরবানির ঈদ আসলেই প্রচুর কাজের চাপ পড়ে যায়। দিনে-রাতে সবসময় কাজ করছি তারপরও কাজ শেষ হচ্ছে না। নতুন কাজের অনেক অর্ডার আসছে। ঈদের পর আবার কাজের ব্যস্ততা কমে যাবে।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম