বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় হাসের খামার করে ভাগ্য বদলে গেছে মোনাজাত আলীর


সালাউদ্দীন কাজল, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
DhakaReport24.com || 2025-10-14
 চুয়াডাঙ্গায় হাসের খামার করে ভাগ্য বদলে গেছে মোনাজাত আলীর

বর্ষার জল কমতে থাকে। এ সময় ছোট মাছ, ব্যাঙ, শামুক, ঝিনুকসহ নানা প্রাকৃতিক জলজপ্রাণীর বিচরণ বেড়ে যায়। জল ও প্রাকৃতিক খাবারকে উপলক্ষ করে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার রামনগর গ্রাম হাঁস পালনের উপযোগী চারণভূমিতে পরিণত হয়। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে রামনগর গ্রামে গড়ে তুলেছেন একটি হাঁসের খামার। সেই হাঁসের খামারে বদলে গেছে মোনাজাত আলীর ভাগ্য।

২০২৩ সালে দামুড়হুদা উপজেলার রামনগর গ্রামের মোনাজাত আলী  গড়ে তুলেছেন একটি হাঁসের খামার। সারাদিন হাঁসগুলো বিলের প্রাকৃতিক খাবার খায়। সন্ধ্যায় সেগুলোকে শুকনো স্থানে রেখে পরিচর্যা শেষে পুনরায় সকালে বিলে ছেড়ে দেওয়া হয়। এক জায়গায় স্থির না রেখে পানি ও প্রাকৃতিক খাবারের প্রাপ্যতানুসারে স্থানান্তর করা হয়। খামারটি একদিকে বদলে দিয়েছে মোনাজাত আলীর ভাগ্য অন্যদিকে এলাকাবাসী পেয়েছে স্বাবলম্বী হওয়ার প্রেরণা।

মোনাজাত আলী জানান, ছোট পরিসরে ইউটিউব দেখে হাঁস পালনের কথা মাথায় আসে। শুরুটা ছোট পরিসরে ৬ হাজারটি হাসের বাচ্চা দিয়ে এ খামারটি করা হয়। বর্তমানে তার খামারে হাঁসের সংখ্যা ১৮ হাজার। এপ্রিল মাসের শুরুতে হাঁসের বাচ্চাগুলো কেনা হয়, জুলাইয়ের মাঝামাঝি ডিম দেওয়া শুরু করেছে। এখন গড়ে প্রতিদিন ৩০০০ টি ডিম পাচ্ছেন তিনি।

খামারী মোনাজাত আলী জানান, তাদের খাকি ক্যামবেল জাতের হাঁস রয়েছে। নারী পুরুষ মিলে ৫ জন শ্রমিক হাঁসগুলোর দেখভাল করেন। ৫ জন শ্রমিকের মাসিক বেতন ৫০ হাজার টাকা। বাজারে চাহিদা থাকায় ডিমগুলো পাইকারী খামার থেকে প্রতিটি ১৩টাকা দামে কিনে নিচ্ছেন। ডিম বিক্রি করে প্রতিদিন ৩৯ হাজার হিসাবে মাসে ১১লাখ ৭০ হাজার টাকা আয় হয়। খরচ বাদে প্রতিমাসে তাদের গড় আয় সাড়ে ৬ লাখ টাকা। ৬ মাস পর্যন্ত হাসগুলো ডিম দেবে। পরে মাংস উপযোগী হাসগুলো বিক্রি করলেও লগ্নিকৃত টাকার চেয়েও অতিরিক্ত টাকা পাওয়া যাবে।

দামুড়হুদা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নীলিমা আক্তার হ্যাপি বলেন, হাঁস পালনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। মোনাজাত আলীর  হাঁসের খামারটি নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। হাঁসের খামারে অনেকেই বেকারত্ব দূর করেছেন। প্রাণী সম্পদ বিভাগ থেকে খামারীদের সরকারের নির্ধারিত মূল্যে ভ্যাকসিন, চিকিৎসা ও পরামর্শ সেবা দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম