চুয়াডাঙ্গা গুলশানপাড়ার একটি ভাড়াবাড়ি থেকে তানিয়া (২০) নামে এক নারী ক্লিনিক কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে চুয়াডাঙ্গার গুলশান পাড়ার সেলিম মিয়ার বাড়ির তৃতীয়তলা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তানিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয়রা তানিয়াকে দ্রুত সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে নিহত তানিয়া খাতুনের বড় ভাই বেল্টু রহমানের দাবি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আমার কাছে মনে হয়েছে এটা হত্যাকাণ্ড। আমার বোনকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রেখেছে তার স্বামী আলামিন৷
নিহত তানিয়া খাতুন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের ঝোড়াঘাটা গ্রামের মাহাতাব আলীর মেয়ে এবং দামুড়হুদা উপজেলার উজিরপুর গ্রামের বাসিন্দা স্বর্ণকার আলামিনের স্ত্রী। স্বামী আলামিনকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা শহরের গুলশানপাড়ার সেলিম মিয়ার তৃতীয়তলায় ভাড়া থাকতেন তানিয়া খাতুন। তাওহীদ ইসলাম নামে একটা ছয় বছর বয়সী একটি পুত্র সন্তানও আছে।
নিহত তানিয়া খাতুন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল এলাকায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান আখিঁতারা জেনারেল হাসপাতাল এণ্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আয়ার কাজ করতেন।
তবে তানিয়া খাতুনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহে ময়নাতদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বর্তমানে মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। শনিবার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হন্তান্তর করেছে পুলিশ।
নিহত তানিয়া খাতুনের ভাই বেল্টু রহমান বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ফ্যানের সঙ্গে যেভাবে দড়ি বাধা হয়েছে সেটা দেখে আমার কাছে মনে হয়েছে আমার বোন আত্মহত্যা করেনি। তাকে তার স্বামী মেরে ফেলেছে। তবে কি কারণে মেরেছে এটা এখনি বলতে পারছিনা। তানিয়াকে নির্যাতণ করা হতো কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন কোন কথা আমার বোন আমাদের আগে জানাইনি।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) হোসেন আলী বলেন, একজন নারী আত্মহত্যা করেছেন বলে জেনেছি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলে জানা যাবে এটা আত্মহত্যা কিনা।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম