চুয়াডাঙ্গার জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোঃ সেন্টু আলীর বড় মেয়ে সেলেনা খাতুনকে একই গ্রামের প্রতিবেশী মোঃ আসাদুল ইসলামের ছেলে তাজমুল হোসেন গত এক বছর ধরে বিভিন্ন কায়দায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দেহ ভোগ করে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল ১৯ জুলাই বুধবার দুপুরে তাজমুল হোসেন সেলিনা খাতুনকে নিয়ে মাঠের ভেতরে নির্জন জায়গায় মিলিত হতে গেলে গ্রামের কয়েকজন মানুষ দেখে ফেলে।ঘটনাস্থল থেকে তাজমুল বাক প্রতিবন্ধী সেলেনা খাতুনকে ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়।তাৎক্ষনিক ভাবে সেলিনা খাতুন বিয়ের দাবিতে তামজুলের বাড়িতে অবস্থান নেয়।
অন্যদিকে সেলিনা খাতুনের মা বলেন, আমার মেয়েকে বিগত এক বছর ধরে বিভিন্ন কায়দায় ধর্ষণের অপচেষ্টা চালিয়েছে এবং তাকে বিয়ে করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তাজমুলের বাড়িতে গেলে তাজমুলের পিতা আসাদুল ইসলাম সাংবাদিকদের ক্ষিপ্ত হন এবং দরজা বন্ধ করে দেয়।
এদিকে গ্রামের সাধারণ মানুষ জানান- বাক প্রতিবন্ধী মেয়েকে ফুসলিয়ে অনেক আগ থেকে দেহ ভোগ করে আসছে তাজমুল। কিন্তু সে ধরা পড়ে গেছে বিধায় তামজুল পালিয়েছে এবং টাকা পয়সা দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।