তীব্র খরায় পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা জেলা।গত ১০ দিন যাবৎ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এই চুয়াডাঙ্গা জেলায় বিরাজ করছে। প্রতিদিনের ন্যায় আজও চুয়াডাঙ্গা জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দুপুর তিনটার সময় ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আদ্রতা০.৯% রেকর্ড করা হয়েছে । তীব্র গরমের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছাড়া খুব একটা বাইরে যাচ্ছে না। শহরের প্রধান প্রধান সরকগুলোতে সীমিত পরিসরে মানুষজন চলাফেরা করছে।
তীব্র গরমে সবথেকে বেশি সমস্যা পড়ছে শিশুরা। পাশাপাশি রমজান মাসে রোজাদার ব্যক্তিদেরও সব থেকে বেশি কষ্ট পোহাতে হচ্ছে।
অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গার পাশাপাশি আলমডাঙ্গাতেও দেখা দিয়েছে তীব্র গরম। অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়েছে খেটে খাওয়া দিনমজুর, চাষি ও শিশুরা। তীব্র গরমে শিশুদের ডাইরিয়ার প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু মানুষই নয় তীব্র খরায় পুড়ছে আমন ধানের মাঠ। সেই সাথে দীর্ঘ ১১ দিন যাবত আলমডাঙ্গা কুমার নদে কোন পানি না থাকাতে তীব্র তাপদাহে ফসলে মাঠ নষ্ট হচ্ছে ।ধান ফোলার সময়ে পানি না পাওয়াই ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছে কৃষকেরা। আলমডাঙ্গা কুমার নদীতে পানি কম থাকায় বিকল্প শেচ ব্যবস্থা না থাকাতে চৈত্রের তাপদাহে,ধানের মাঠে, সোনালী স্বপ্ন বুননে বারবার বিপর্যস্ত হচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের এই কৃষকেরা।
সময়ে এক ফোড়, অসময়ে দশ ফোড়।প্রধানমন্ত্রী নিজে বলেছিল ২০২৩ সাল দুর্ভিক্ষের বছর। কিন্তু এ বছরগুলোতে যখন খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ঠিক সেই সময়ে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল স্বাধীনতার বিপক্ষে কিছু মানুষেরা সরকারকে বিফল করার জন্য প্রতিনিয়তই তাদের পায়তারায় করে যাচ্ছে। তারই বহিঃপ্রকাশ তীব্র খরায়, নদে নেই জোয়ার,ঘূর্ণিঝড়ের সাথে লড়াই করেই, এক বুক স্বপ্ন নিয়ে বড়াই করে বেঁচে আছে অবহেলিত কৃষকেরা ।
চুয়াডাঙ্গা জেলা সীমান্তবর্তী হওয়াই শীতের সময় বেশি শীত এবং গরমের সময়ও বেশি গরম পড়ে থাকে।
এদিকে আবহাওয়া অফিস বলছে পরবর্তী সাতদিন তাপ প্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।