চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে হতদরিদ্র, ছিন্নমূল ও শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রোকুনুজ্জামান উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বসবাসকারী ছিন্নমূল মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করেছেন। এ সময় উপস্থিত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।
এদিকে চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, শনিবার সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শুক্রবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগে বৃহস্পতিবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। টানা ৩ দিনই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে চুয়াডাঙ্গায়।
গত ৩-৪ দিন ধরে তীব্র শীতে জীবননগর উপজেলায় জনজীবন একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ক্রমেই বাড়ছে শীতের প্রকোপ। দিন দিন তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে বেশি। দুর্ভোগ দুর্দশা বাড়ছে ছিন্নমূল মানুষের। কষ্টে পড়েছে বৃদ্ধ, শিশু এবং সকাল হলেই কর্মের সন্ধানে ছুটতে হয় এমন মানুষরা। শীতে মানুষের পাশাপাশি গোবাদি পশুপাখিও কাবু হয়ে পড়েছে। শীতের কারণে উপজেলার সাধারণ মানুষের মাথাব্যথা, কোল্ড ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসনালির প্রদাহ ও সর্দি-জ্বরসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।
কনকনে শীতে সন্ধ্যায় বাজারঘাট প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ছে। এলাকার ছিন্নমূল মানুষরা শীত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। বাজারের পুরাতন কাপড়ের দোকানগুলোতে শীতবস্ত্র কেনার জন্য নিম্ন আয়ের ও ছিন্নমূল মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমএইচ/আরএএম