দীর্ঘ ৭ বছর পর আজ সোমবার চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বাষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। গেট, ব্যানার, ফেস্টুনে ভরে গেছে সন্মেলনের স্থান ও শহরের প্রধান সড়ক। আলোচনা জোরালো হচ্ছে কারা হবেন জেলার আওয়ামী লীগের কান্ডারি। তবে, আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলছেন কোন রাজাকার বা জামায়াতে ইসলামীর পরিবারের কাউকে নেতৃত্বে দেওয়া হবে না।
সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২ ডিসেম্বর সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সন্মেলনে সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুনকে সভাপতি এবং আজাদুল ইসলাম আজাদকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি গঠন করা হয় ওই সময়। এবার ত্রি-বাষিক সম্মেলনে কে সভাপতি এবং কে সাধারণ সম্পাদক পদ পাচ্ছেন তা নিয়ে চলছে ব্যাপক জল্পনা কল্পনা।
সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুনের বিকল্প কাউকে ভাবছেন না বলে নেতা কর্মিরা জানিয়েছেন। তবে, সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী জোর লবিং তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. আলী আজগার টগর, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, মুন্সি আলমগীর হান্নান, নঈম হাসান জোয়ার্দারসহ একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে।
জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দার টোটন বলেন, বিএনপি -জামায়াতে ইসলামীর যে আন্দোলন ও নৈরাজ্য তার মোকাবেলা করার জন্য এ সন্মেলন অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোট ২১৮ জন কাউন্সিলর ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত করবেন। ইতমধ্যে ৪০ হাজার ডেলিকেট কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। সম্মেলনে অন্ততঃ ৫০ হাজার মানুষের সমাগম ঘটবে।
জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান বলেন, দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ত্যাগি পোড়খাওয়া নেতা কর্মির অতীতের রাজনীতি ক্যারিয়ার বিবেচনা করে কমিটি গঠন করবেন। আজ জেলা আওয়ামী লীগের সন্মেলনে সুন্দর কমিটি উপহার দেবে এমনটাই নেতা কর্মিদের প্রত্যাশা।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম