চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার ১০ নাম্বার জামজামি ইউনিয়নের ঘোষবিলা হাইস্কুলে সুইপার পদে দশ লক্ষ টাকা সহ মোট চারটি পদে ৪২ লক্ষ টাকার নিয়োগ বাণিজ্য অভিযোগ উঠেছে। এই ৪২ লক্ষ টাকা ভাগাভাগি নিয়ে স্কুল সভাপতি রেজাউল এবং জামজামি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম এর মধ্যে লেগেছে দ্বন্দ্ব।
জানা গেছে ঘোষবিলা হাই স্কুলে অফিস সহকারি, কম্পিউটার অপারেটর, দপ্তরি এবং সুইপারসহ মোট চারটি পদে ৪২ লক্ষ টাকার ঘুষ বাণিজ্য চলেছে। একই পদে চেয়ারম্যান এবং সভাপতি দুইজনে দুই ক্যান্ডিডেট থাকায় প্রভাব বিস্তার ও টাকা পয়সা লেনদেন নিয়ে মতপার্থক্য সৃষ্টি হওয়াতে হাতাহাতি পর্যন্ত রূপ নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সকলের মুখে মুখে ১০ লাখ আর ১৫ লাখ। এ নিয়ে স্থানীয় অবিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎকণ্ঠ দেখা দিয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বাসা বেঁধে রয়েছে। শিক্ষার মান নিয়ে উৎকণ্ঠায় অবিভাবকরা।
স্কুল সভাপতি রেজাউল বলেন, স্কুলের চারটি পদে মোট ৪২ লক্ষ টাকার লেনদেনের সময় টাকা আমার হাতে দিলেও পরে আমার কাছ থেকে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম নিয়ে নেই। আমাকে তার মধ্যে দশ হাজার টাকা দিয়েছে।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি বিষয়টি এরিয়ে যান এবং বলেন আমি স্কুলের কেউ নই পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলন করে জানাবো বিষয়টি ।কিন্তু পরোক্ষণে তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোনটি আর রিসিভ করেননি।
এদিকে স্কুলের সভাপতি রেজাউল হক বলেন, চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম স্কুলের কোন পদে না থাকলেও সবকিছু চলে তার ইশারায়। আমাকে বিনাভোটে সভাপতি তিনিই বানিয়েছিলেন কিন্তু তার সাথে এখন টাকা পয়সা নিয়ে দৈরাত্য চলছে। এখন আমাকে লোকের মধ্যে পাগল বলে। সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য বিভিন্ন রকম মিথ্যা অজুহাত দেখাচ্ছেন।অন্যান্য সদস্যদের দিয়ে আমার পিছনে লেলিয়ে দিচ্ছেন নজরুল ইসলাম । যাতে আমি আর সভাপতি না থাকতে পারি এই স্কুলে ।