বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

২১ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

২১ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

>> ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের পরিবর্তন চান ভোটাররা : ভ্যান্স

>> ৮ শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু

>> ইয়েমেনে সৌদির ব্যাপক হামলা, নিহত ২০

>> জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেফতার ইকবাল সোবহান

>> জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত

>> মেট্রোরেলসহ তিন প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়ন চায় বাংলাদেশ

>> একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

>> প্রমাণ মিলেছে যৌন হয়রানির রিপোর্ট কখনই প্রকাশ করবে না বিসিবি

>> মার্কিন ভোটাররা বিরক্ত হলে ইসরাইলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হবো: ট্রাম্প

আপনি পড়ছেন : সিরাজগঞ্জ

পদ না পাওয়ায় আহাজারি করা কে এই আ'লীগকর্মী?


বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
DhakaReport24.com || 2022-02-20 19:09:15
পদ না পাওয়ায় আহাজারি করা কে এই আ'লীগকর্মী?

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে গত ১৪ ফেব্রুয়ারী স্থানীয় সোহাগপুর শ্যামকিশোর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার ৯ টি ওয়ার্ডের সম্মেলন। স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মমিন মন্ডল ও সাবেক মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রীসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে তৃণমুল পর্যায়ের মোট ৭৪ টি ওয়ার্ডের নেতাকর্মী নির্বাচন করা হয়।
ঐ দিন বেলকুচি পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক পদে নিজের প্রার্থীতা ঘোষণা করে দেলুয়া মধ্য গ্রামের মৃত শান্তাহার আলী সরকারের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক। কিন্তু দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে অজ্ঞাত কারণে তাকে ঐ পদের প্রার্থী থেকে বাদ দিয়ে দেন । তার জায়গায় সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত করা হয় দেলুয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুস সালামের ভাই আবু সাইদকে। নেতাদের এমন ঘোষণার কারণেই আব্দুর রজ্জাক কান্নায় আহাজারি করতে থাকেন। পরে তাকে ঐ অবস্থা থেকে তার বড় ভাইসহ তার সমর্থনকারীরা সরিয়ে নেন।

আব্দুর রাজ্জাক প্রতিবেদককে বলেন, আমি ১৯৯৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগ দলের সাথে প্রত্যক্ষ- পরোক্ষ ভাবে জড়িত আছি। আমি দুইটা জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে ভোট কেন্দ্র এজেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছি। দলের সাথে জড়িয়ে থাকার কারণে দলীয় মামলাও খেয়েছি। দলের জন্য এতোকিছু করার পরেও সম্মেলনে দিন এমপি সাহেব ও সাবেক মন্ত্রী এবং সাবেক মেয়র আশানূর বিশ্বাস আমাকে আমার ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদকের পদে দাড়াতে দেননি। আমাকে বাদ দিয়ে তাদের মনোনীত প্রার্থী আবু সাইদকে সাধারণ সম্পাদক বানিয়েছেন। যাকে তারা সাধারন সম্পাদক বানিয়েছেন সে কখনও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না। আমাকে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সড়ানো একমাত্র কারণ হলো গত উপজেলা নির্বাচনে সাবেক মন্ত্রী ও মেয়র আশানূর বিশ্বাস স্বতন্ত্রপ্রার্থী আনারস প্রতিকের নির্বাচন করতে বলেছিলেন।  কিন্তু আমি তা করি নাই বিধায় আজ আমার এই অবস্থা। এটা কিছুতেই মানতে পারছি না। আমি এই বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগসহ কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তা না হলে আমার মত ত্যাগিনেতাকর্মী হারিয়ে যাবে। 

এবিষয়ে উপজেলা উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী দেলখোশ আলী প্রামাণিক জানান, সম্মেলনের দিন যে রুমে পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের নেতাকর্মী নির্বাচিত করা হয় সে রুমে আমি ছিলাম না। তবে আমি যখন রাজ্জাক কান্নায় আহাজারি শুনতে পাই।  তখন গিয়ে জানতে পারি যে সে ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী ছিল তাকে বাদ দেওয়ার কারণেই এমন আহাজারি করছে। তবে তাকে বাদ দেবার বিষয়ে তিনি বলেন, দলের এমপি ও সাবেক মন্ত্রীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত পৌর নির্বাচন ও ইউপি নির্বাচনে দলের বিরুদ্ধে যারা কাজ করছে তাদেরকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই সংগত কারণেই তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী  রাজ্জাককে ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।