মার্টিনেজের করা এই লক্ষ্যভেদেই বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে প্রতিপক্ষ কলম্বিয়ার বিপক্ষে একমাত্র গোলে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। ব্রাজিলের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে লাতিন অঞ্চলের বাছাই উতরে বিশ্বকাপের টিকেট কেটে ফেলা আলবিসেলেস্তেরা টানা ২৯ ম্যাচ অপরাজিত থাকল।
নিষেধাজ্ঞার কারণে দলের গুরুত্বপূর্ণ চার সদস্যও ছিলেন না এই ম্যাচে।
গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের ছাড়া খেললেও আক্রমণাত্মক ফুটবলের কৌশল থেকে সরে আসেনি দলটি। শুরু থেকেই আক্রমণে মনোযোগ ছিল দলটির। দ্বিতীয় মিনিটে লুকাস ওক্যাম্পোস বক্সের বাইরে থেকে চেষ্টা করেছিলেন গোলের, তবে সেটা বেরিয়ে গেছে লক্ষ্যের অনেক বাইরে দিয়ে।
বলের দখলেও শুরু থেকেই আধিপত্য ছিল আনহেল ডি মারিয়াদেরই। ফলে প্রথম আক্রমণের জন্য সফরকারী কলম্বিয়াকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১৪ মিনিট পর্যন্ত। তবে লুইস ডিয়াজের শটটা আর্জেন্টাইন রক্ষণ দেয়ালে লেগে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় তা।
চিলির বিপক্ষে ম্যাচে ডি মারিয়ার গোলে এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। মেসির অনুপস্থিতিতে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের দায়িত্বটা পালন করা ডি মারিয়া আজও চলে গিয়েছিলেন গোলের খুব কাছে। বক্সের বাইরে থেকে সেদিনের গোলটার মতোই একটা চেষ্টা করেছিলেন। কলম্বিয়া রক্ষণ, গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে লক্ষ্যের একটু বাইরে বেরিয়ে যায় সেটা।
তবে প্রথম গোলের জন্য অপেক্ষাটা খুব বেশি বড় হয়নি আলবিসেলেস্তেদের। ২৯ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে মার্কোস আকুনইয়া ক্রস ফেলেছিলেন প্রতিপক্ষ বক্সে। লুকাস ওক্যাম্পোস সেটায় মাথা ছোঁয়াতে চেয়েও পারেননি, তবে তার সে চেষ্টা প্রায় ফাঁকা করে দিয়েছে বক্সে তার পাশেই থাকা স্ট্রাইকার লাওতারোকে। সেখান থেকে তার শট আর গোল।
বিরতির একটু আগে সফরকারীরা দারুণ সুযোগই পেয়েছিল। মিগেল বোরহা একাই পেয়ে বসেছিলেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে। তার শট ঠেকান আলবিসেলেস্তে গোলরক্ষক। তবে ফিরতি বলটা বোরহা বাড়ান গোলমুখে থাকা ডিয়াজকে। তার শটটা গোললাইন থেকে ফেরান হেরমান পেজ্জেলা। তাতে ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা।
বিরতির পরেও আধিপত্য ধরে রেখেছিল স্ক্যালোনির দল। ৬৪ মিনিটে ডি মারিয়া দূরপাল্লার শটে আবারও পরীক্ষা নেন কলম্বিয়া রক্ষণের। তবে সে চেষ্টাও ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক কামিলো ভার্গাস।
তাতে অবশ্য জিততে সমস্যা হয়নি আর্জেন্টিনার। তুলে নেয় ১-০ গোলের জয়। তাতেই ২০১৯ সালে শুরু হওয়া অপরাজিত যাত্রাটাকে স্ক্যালোনির দল উন্নীত করে ২৯ ম্যাচে।