গত ৯ মার্চ জরুরী বোর্ড সভা ডেকেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যেখানে আলোচনার মূল কেন্দ্রে ছিল চলতি বছরের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের তৃতীয় মেয়াদের দ্বিতীয় এজিএম হতে যাচ্ছে এটি।
রোববার (৩১ মার্চ) দুপুর দুইটায় রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে বিসিবির এজিএম। আসন্ন এই এজিএমের জন্য দুই দফায় বাজেট বাড়ানো হয়েছে। সব মিলিয়ে এজিএমের বাজেট দাঁড়িয়েছে প্রায় পৌনে চার কোটি টাকা।
সব জেলা, বিভাগ, ক্লাব, সংস্থা মিলিয়ে ১৭০ জন কাউন্সিলর বিসিবিতে৷ প্রত্যেক কাউন্সিলরকে বিসিবি এবার নগদ ১ লাখ টাকা ও আইপ্যাড উপহার দেবে৷
এবারের এজিএমের জন্য প্রথম ধাপে বাজেট ধরা হয়েছিল ২ কোটি টাকা। তবে সবশেষ বোর্ড সভায় দ্বিতীয় ধাপে বাজেট বাড়ানো হয় আরও পৌনে ২ কোটি তথা ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে এজিএমের বাজেট দাঁড়িয়েছে পৌনে চার কোটি তথা ৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।
বিসিবির সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে জানা গেছে, প্রথম ধাপে বোর্ড ২ কোটি টাকার অনুমোদন দেয়। তবে খরচ বেড়ে যাওয়ায় টাকার অঙ্ক প্রায় দ্বিগুণ করে পুনরায় বাজেট পাশ করা হয়।
বাজেটের বড় একটি অংশ বিসিবি খরচ করে কাউন্সিলরদের পেছনে। ক্রিকেট বোর্ডের সব জেলা মিলিয়ে ১৭০ জন কাউন্সিলর আছেন। প্রত্যেককে নগদ ১ লাখ টাকা এবং সঙ্গে দেওয়া হবে একটি করে ইলেক্ট্রনিক গ্যাজেট। প্রাথমিকভাবে ৫০ হাজার টাকা করে নগদ দেওয়ার কথা থাকলেও সেটি আরও ৫০ হাজার বাড়ানো হয়।
১৭০ জনকে ১ লাখ টাকা করে দেওয়া হলে সেখানে খরচ হবে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। গ্যাজেটের পেছনেও খরচ হতে পারে প্রায় কোটি টাকা। তবে গ্যাজেটের ধরণের উপর নির্ভর করে এই খাতে টাকা বাড়তে পারে কিংবা কমতেও পারে। কাউন্সিলরদের যাতায়াত খরচও বহন করবে বোর্ড। কাউন্সিলরদের রাখা হবে পাঁচ তারকা হোটেলে। জেলার কাউন্সিলরদের দেওয়া হবে বিমান টিকিট।
সব মিলিয়ে বিসিবির এজিএম যেন কাউন্সিলরদের জন্য উৎসবের। প্রতিবারই নগদ অর্থের সঙ্গে থাকে দামি উপহার। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। এর আগের এজিএমে (২০২২) ছিল মুঠোফোন ও ৫০ হাজার টাকা। আর বিসিবির নির্বাচনের আগে হওয়া এজিএমে ছিল ল্যাপটপ ও ১ লক্ষ টাকা।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমআর/আরএএম