স্টাম্পে লেগেছিল আগের বলেই। তবে বেলস পরেনি। ঠিক পরের বলেই ছত্রখান হয়ে গেছে তাসকিন আহমেদের স্টাম্প। বোলার স্যাম কারেন। বাংলাদেশ অলআউট হয়ে গেছে ১০ বল বাকি থাকতে। হারের ব্যবধান ১৩৭ রান।
৩৬৫ রানের লক্ষ্য ছিল। ফলে পিছিয়ে থেকেই দ্বিতীয় ইনিংসে নেমেছিল বাংলাদেশ। রিস টপলির শুরুর আঘাতে এরপর বলতে গেলে ছিটকেই গেছে লড়াই থেকে। লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিমের ফিফটিও তাতে পার্থক্য গড়তে পারেনি।
বোলিংয়ে শেষ ১০ ওভারে বেশ ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডকে এক সময় হাতছানি দিচ্ছিল ৪০০-পেরোনো স্কোর। সেটি হতে দেয়নি বাংলাদেশ। শরীফুল, মেহেদীর বোলিংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রাপ্তি হিসেবে যোগ হতে পারে সেটিও।
ধর্মশালায় আফগানিস্তানকে উড়িয়ে দেওয়ার পর এবার ইংল্যান্ডের কাছে উড়ে গেল বাংলাদেশ। পাহাড়ঘেঁষা সৌন্দর্যের এ ভেন্যু তাই বাংলাদেশের জন্য হয়ে থাকছে মিশ্র অভিজ্ঞতা হিসেবে।
অন্যদিকে আহমেদাবাদে প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে উড়ে যাওয়া ইংল্যান্ড ঘুরে দাঁড়াল দারুণভাবে। সে ম্যাচে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের তেমন কোনো ছাপ ছিল না। আজ সেটির উত্তাপ ভালোভাবেই এসে লেগেছে বাংলাদেশের গায়ে।
দুই দলই নেমেছিল একটি করে পরিবর্তন নিয়ে। মেহেদী হাসান বোলিংয়ে শেষদিকে ভালো অবদান রেখেছেন। তবে রিস টপলির শুরুর অবদানে ম্লান হয়ে গেছে তা।
নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে রানরেটে অনেক পিছিয়ে পড়া ইংল্যান্ড সেটি পুষিয়ে দিল অনেকটাই। অন্যদিকে বড় ধাক্কা বাংলাদেশের।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এসপি/আরএএম