প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে আজ টটেনহামের বিপক্ষে মাঠে নামে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ইউনাইটেডের হয়ে হ্যাট্রিক করে দলকে বড় জয় এন দেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
শুধু তাই নয়, ক্যারিয়ারে ৫৯তম হ্যাটট্রিক করে গড়েছেন ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রেকর্ডটিও। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে পেশাদার ফুটবলে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন রোনালদোই।
১২ মিনিটে ইউনাইটেডকে এগিয়ে দেওয়া গোলটি করে তিনি ছুঁয়ে ফেলেন ৮০৫ গোল করা জোসেফ বাইকানকে। এরপর হ্যারি কেইনের পেনাল্টি গোলে সমতায় ফেরে টটেনহাম। কিন্তু ৩৮ মিনিটের গোলে রোনালদো বাইকানকে ছাড়িয়ে এককভাবে রেকর্ডটি নিজের করে নেওয়ার সাথে ইউনাইটেডকে আবারো এগিয়ে দেন। তবে হ্যারি ম্যাগুয়ারের আত্মঘাতী গোলে আবারো গোল সমতায় ফেরে টটেনহাম। কিন্তু রোনালদো ৮১ মিনিটে হ্যাটট্রিক করে জয় এনে দেন ইউনাইটেডকে।
পেশাদার ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতার অফিসিয়াল কোনো রেকর্ডের হিসাব রাখে না ফিফা। তবে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার এক হিসাব অনুযায়ী অস্ট্রিয়ান-চেক বংশোদ্ভূত বাইকান ১৯৩১ থেকে ১৯৫৫ সালের ২৪ বছরের ক্যারিয়ারে ৮০৫ গোল করেছেন। রোনালদো এই রেকর্ড ছাড়িযে আজ করেছেন ক্যারিয়ারের ৮০৭তম গোল। রোনালদো তার গোলগুলো করেছেন স্পোর্তিং, ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস ও পর্তুগালের হয়ে।
ফিফার হিসাব অনুযায়ী রোনালদোই পেশাদার ফুটবলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেও চেক ফুটবল ফেডারেশন তা মানতে রাজি নেই। তাদের হিসাব অনুযায়ী বাইকান তার ক্যারিয়ারে সব মিলিয়ে ৮২১ গোল করেছেন। ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলে আর রোমারিও এক হাজারের ওপরে গোল করেছেন বলে ফুটবল বিশ্বে কথিত আছে। তা হয়তো তারা করেছেন, তবে এই হিসাবের মধ্যে আছে শখের ফুটবল, অনানুষ্ঠানিক ও প্রীতি ম্যাচের গোলও।
ইউনাইটেডের হয়ে ২০০৮ সালের পর এটিই তার প্রথম হ্যাটট্রিক। এই হ্যাটট্রিকের কল্যাণেই প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকায় ইউনাইটেড তাদের পঞ্চম স্থানটা আরও দৃঢ় করতে পেরেছে। ২৯ ম্যাচে ৪৮ পয়েন্ট পেয়ে শেষ চারে অবস্থান। এ দৌড়ে এখনো অবশ্য ইউনাইটেডের চেয়ে এগিয়ে আছে আর্সেনাল। চতুর্থ স্থানে থাকা ইউনাইটেড তাদের সমান পয়েন্ট পেয়েছে ২৫ ম্যাচ খেলে। আর টটেনহাম ষষ্ঠ স্থানে আছে ২৭ ম্যাচে ৪৬ পয়েন্ট পেয়ে।
সূত্র: রয়টার্স
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এএন/আরএএম