হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে জনজীবন চরম অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পল্লী বিদ্যুৎতের ভেলকিবাজিতে।২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রায় ১২ ঘন্টা লোডশেডিং দিয়ে যাচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ বানিয়াচং। এতে ফুঁসে উঠছে বানিয়াচংয়ের বিদ্যুৎ গ্রাহক ও আমজনতা।
চাহিদা তুলানায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারায় বানিয়াচং উপজেলা ১৫ ইউনিয়নে লোডশেডিংয়ের মাত্রা দিনদিন বেড়েই চলছে।বানিয়াচং সদরের রাতে দিনে মিলে প্রায় ১২ ঘন্টা লোডশেডিং হলেও গ্রামগঞ্জের অবস্থা আরো ভয়াবহ। এমনও রাত আছে গ্রামের মানুষ বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় রাত কাটানোর অভিজ্ঞতা আছে বলে সাংবাদিকদের কাছে জানান।সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা দিয়ে বলা হয়েছিলে পর্যায়ক্রমে ২ ঘন্টা লোডশেডিং দেয়া হবে, কিন্তু বানিয়াচং উপজেলার চিত্র খুবই ভয়াবহ। মাত্রারিতিক্ত লোডশেডিংয়ে কারনে বানিয়াচংয়ের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। রাতে বেলায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা খুবই ভয়াবহ, ১ ঘন্টা পরপর লোডশেডিং দেয়া হয়।এই গরমে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারনে বৃদ্ধ ও শিশুরা প্রচন্ড ভাবে অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বিদ্যুৎ লোডশেডিং ব্যাপারে জানতে চাইলে,
বানিয়াচং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মামুম মোল্লা জানান, উপজেলায় মোট গ্রাহক সংখ্যা ৬৫ হাজার, রাতে দিনে মিলিয়ে বিদ্যুৎতে মোট চাহিদা ১৭ মেগাওয়াট। কিন্তু চাহিদা তুলনায় তাদের কে প্রায় ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। যেখানে দিনে ৬ থেকে ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগে তারা পাচ্ছেন ২ থেকে ৩ মেগাওয়াট, রাতে বেলায় চাহিদা ১০ মেগাওয়াট সেখানে সরবরাহ করা হচ্ছে ৩ থেকে ৪ মেগাওয়াট এতে প্রায় ১১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎতের ঘাটতি রয়েছে বলে তিনি জানান। তাই ঘনঘন লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছে তারা।
তিনি আরো বলেন, আমরা আমাদের চাহিদা কথা উর্ধতন কতৃপক্ষ কে জানিয়েছি।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এনএ /আরএএম