আন্তর্জাতিক বাজারের দামের ওঠানামার প্রভাব পড়ছে দেশের স্বর্ণের বাজারেও। সেই ধারাবাহিকতায় দেশের বাজারে সর্বশেষ নির্ধারিত দর অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ যে মূল্য নির্ধারণ করেছে, তা গত সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে কার্যকর রয়েছে।
বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম এখন ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।
একইভাবে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দামও কমেছে। এই মানের প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৫৭৪ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা। এর আগে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকায়।
১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দামও কমিয়েছে বাজুস। প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৩৪১ টাকা কমিয়ে এ মানের স্বর্ণের নতুন দাম করা হয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা। এর আগের নির্ধারিত দাম ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা।
এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ৭৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, এ ধরনের স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা। এর আগে এই স্বর্ণের দাম নির্ধারিত ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা।
স্বর্ণের দাম কমানো হলেও রূপার মূল্য অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস। সর্বশেষ নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপা ৪ হাজার ৩১৬ টাকা এবং প্রতি গ্রাম ৩৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা। প্রতি গ্রামের দাম ৩৫৫ টাকা।
১৮ ক্যারেটের রূপার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা। এ মানের প্রতি গ্রাম রূপার দাম ৩০৫ টাকা।
অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির রূপার প্রতি ভরি ২ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং প্রতি গ্রাম ২৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা ও ধরন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রৌপ্যের অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এ ছাড়া অলংকার এক্সচেঞ্জ ও পুরোনো অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রেও নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দেওয়ার পর অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে বলে জানিয়েছে বাজুস।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম