রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : আদালত ও প্রশাসন

সিনহা হত্যার রায়:আদালত প্রঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার


DhakaReport24.com || 2022-01-31 10:53:00
সিনহা হত্যার রায়:আদালত প্রঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার রায়ের জন্য আজ সোমবার (৩১ জানুয়ারি) দিন নির্ধারণ করেছে আদালত। 

এদিকে এই রায়কে কেন্দ্র করে কক্সবাজার আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।

আদালতের প্রবেশ পথ, জেলা প্রশাসক কার্যালয় এলাকা, পৌরসভা গেট, ও কাঁচাবাজার এলাকাসহ সাত স্তরে পুলিশের চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আলোচিত এ মামলাকে ঘিরে আদালতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য কয়েক স্তরে পুলিশ আদালতে অবস্থান করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মামলার রাষ্ট্র ও বাদী পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত হত্যা বলে সন্দেহাতিতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তারা আশা করছেন, সর্বোচ্চ সাজা হবে আসামিদের।


তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, এটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে। ন্যায়বিচার না পেলে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলেও জানান তিনি।

গত ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ রোডের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি (টেকনাফে দুটি, রামুতে একটি) মামলা দায়ের করে।


ঘটনার পাঁচ দিন পর ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে টেকনাফ থানার বহিষ্কৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এ চারটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় র‍্যাব।

পরে ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও র‍্যাব-১৫ কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মো. খাইরুল ইসলাম। 


গত ২৭ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করা হয়। এরপর গত ২৩ আগস্ট থেকে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। যা শেষ হয় গত ১ ডিসেম্বর। 

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার রায়ের জন্য আজ সোমবার (৩১ জানুয়ারি) দিন নির্ধারণ করেছে আদালত। 

এদিকে এই রায়কে কেন্দ্র করে কক্সবাজার আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।

আদালতের প্রবেশ পথ, জেলা প্রশাসক কার্যালয় এলাকা, পৌরসভা গেট, ও কাঁচাবাজার এলাকাসহ সাত স্তরে পুলিশের চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আলোচিত এ মামলাকে ঘিরে আদালতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য কয়েক স্তরে পুলিশ আদালতে অবস্থান করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মামলার রাষ্ট্র ও বাদী পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত হত্যা বলে সন্দেহাতিতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তারা আশা করছেন, সর্বোচ্চ সাজা হবে আসামিদের।

তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, এটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে। ন্যায়বিচার না পেলে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলেও জানান তিনি।

গত ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ রোডের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি (টেকনাফে দুটি, রামুতে একটি) মামলা দায়ের করে।

ঘটনার পাঁচ দিন পর ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে টেকনাফ থানার বহিষ্কৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এ চারটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় র‍্যাব।

পরে ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও র‍্যাব-১৫ কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মো. খাইরুল ইসলাম। 

গত ২৭ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করা হয়। এরপর গত ২৩ আগস্ট থেকে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। যা শেষ হয় গত ১ ডিসেম্বর।