রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কৃষি অনুষদের পেছনের পুকুর থেকে একটি মর্টারশেল উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে আটটার দিকে স্থানীয় এক যুবক মর্টারশেলটি কৃষি অনুষদের অদূরে ফ্লাইওভারের কাছে থাকা পুলিশ বক্সে জমা দেয়।
ওই যুবকের নাম মোঃ মারুফ হোসেন। তিনি
রাজশাহী মহানগরের চন্দ্রীমা থানার মেহেরচন্ডী পূর্বপাড়ার মোঃ আজিজুল হক ও মুর্শিদা বেগম দম্পতির সন্তান।
এবিষয়ে মোঃ মারুফ হোসেন জানান, মুখ ধৌত করার জন্য রাবির কৃষি অনুষদের উত্তর পাশে প্রাচীর সংলগ্ন পুকুরে গেলে গ্রেনেড বা বোমা সাদৃশ্য বস্তুুটি তার পায়ে বাধে। তিনি সেটাকে পানির ভিতর থেকে উঠিয়ে রাবি কবর স্থান ফ্লাইওভারের পাশ্বে ডিউটিরত পুলিশকে বিষয়টি অবগত করে।
তবে মোঃ মারুফ এর পিতা আজিজুল হক জানান, সকাল ৬টার দিকে রাবির জ্বোহা হলের পূর্বপাশের পুকুরে মাছ মারার সময় পানির নিচে বোমাটি পায়ে বাধলে তা পুকুরের উপরে তুলে রাখে। মাছ মারা শেষে মারুফকে বোমাটি পুলিশকে দিয়ে আসতে বলে, কিন্তু সে হাতে করে নিয়ে এসে রাবি কবর স্থান ফ্লাইওভারের পাশের ডিউটিরত পুলিশকে জানায়।
দুপুর সোয়া ১টার দিকে মর্টারশেলটি নিষ্ক্রিয় করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তিন সদস্যদের একটি এক্সপার্ট টিম।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক জানান, খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে দেখি ওটা একটি মর্টারশেল। '৭১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাক-হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প থাকায় এমন মর্টারশেল বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া গেছে। পরবর্তী সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। তাছাড়া এমন আরো আছে কিনা তা শীঘ্রই মনিটর করা হবে।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এনআই/আরএএম