দেশে এখনও করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রাধান্য আছে। তবে গত কয়েকদিনে ওমিক্রন ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে দেশে। এমনটি জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত ভার্চুয়াল বুলেটিনে অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম এ সব তথ্য জানান।
ডা. নাজমুল ইসলাম এ সময় বলেন, গত তিন-চার মাসের তুলনায় হাসপাতালে করোনা রোগী বেড়েছে। প্রতিদিন সংখ্যা বাড়ছে। অনেকেই বেশি অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে নিজেদের মতো চললে ক্রমাগত করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়বে এবং তা হাসপাতালের শয্যা সংখ্যার ওপর চাপ বাড়াবে।
তিনি বলেন, দেশে ডেল্টা এখনও প্রিডমিনেন্ট ভ্যারিয়েন্ট। কিন্তু একটু একটু করে ওমিক্রন সে জায়গা দখল করে নিচ্ছে।
ওমিক্রনের লক্ষণ উপসর্গের কথা জানিয়ে ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, ওমিক্রনে সংক্রমিতদের শতকরা ৭৩ শতাংশ মানুষ সর্দিতে আক্রান্ত, মাথা ব্যথা করছে ৬৮ শতাংশের, অবষণ্নতা বা ক্লান্তি অনুভব করছেন ৬৪ শতাংশ, হাঁচি দিচ্ছেন ৬০ শতাংশ, গলা ব্যথা ৬০ শতাংশ এবং কাশি দিচ্ছেন ৪৪ শতাংশ রোগী; এই বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। এরসঙ্গে মৌসুমী জ্বরের মিল রয়েছে। তাই যে কোনও পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
গত বছরের শেষ কদিন ও চলতি বছরের প্রথম দিন থেকে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গত ১৬ জানুয়ারি সংক্রমণের হার ছিল ১৬ দশমিক ৮২ শতাংশ। এক সপ্তাহের ব্যবধানে (২২ জানুয়ারি) এ হার বেড়ে ২৮ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।