শীতকালে ঠাণ্ডা-কাশি খুব স্বাভাবিক বিষয়। তবে এবারের শীতে ঠাণ্ডা-কাশিতে আক্রান্ত হলেই অনেকেই ওমিক্রন কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যাচ্ছেন। করোনা ভাইরাসের নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে সারা বিশ্ব চিন্তিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া তথ্য মতে, বিশ্বের ৭৭টি দেশে ওমিক্রনের নমুনা পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওমিক্রন বিশ্বের প্রায় সব দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে, যা এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।
ওমিক্রনের উপসর্গগুলো তুলনামূলকভাবে কম সক্রিয় হওয়ায় আগের দু’বারের তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যাটা বেশ কম। তবে ওমিক্রনের কোনো একটি উপসর্গ দেখা দিলে একেবারে হালকা ভাবে নেওয়া যাবে না।
ওমিক্রনের সাধারণ লক্ষণ কোনগুলো
যুক্তরাষ্ট্রের ‘সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন অ্যানালাইসিস’ এর অনুসারে, কাশি, অত্যধিক ক্লান্তি, নাক বন্ধ এবং নাক দিয়ে পানি পড়া ওমিক্রনের সাধারণ উপসর্গ। এছাড়াও হালকা জ্বর, ঘামাচি, শরীরে ব্যথা, অতিরিক্ত ঘামও ওমিক্রনের উপসর্গ।
লন্ডনের কিংস কলেজের জেনেটিক এপিডেমিওলজির অধ্যাপক টিম স্পেক্টর একটি সমীক্ষার মাধ্যমে জানিয়েছেন, ওমিক্রন আক্রান্ত রোগীদের বমি বমি ভাব, বমি হওয়া, খিদে হ্রাস পাওয়ার মতো উপসর্গও দেখা দিচ্ছে।
এ ছাড়াও ওমিক্রনের আরও কয়েকটি নতুন উপসর্গ সামনে এসেছে যেগুলো আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে শীতকালীন ঠান্ডা লাগার কারণে হচ্ছে। কিন্তু এগুলোও হতে পারে ওমিক্রন সংক্রমণের উপসর্গ। চলুন দেখে নেওয়া যাক এসব উপসর্গগুলো-
১. গলা চুলকানো বা গলা জ্বালা ভাব।
২. মাথা ব্যথা।
৩. ঘন ঘন নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া।
উপরের কোনো একটি বা দুটি বা তারও বেশি উপসর্গ আপনার মধ্যে দেখা দিলে এক মুহূর্ত দেরি না করে অবশ্যই করোনা পরীক্ষা করিয়ে নিন। ফলাফল পজিটিভ এলে কোয়ারেন্টাইনে থাকুন।