বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

২১ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

২১ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০৮৮ মামলা

>> ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

>> রাজধানী থেকে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার

>> ৫০০ টাকার মুচলেকায় জামিন পেলেন পরীমনি

>> আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

>> বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ল

>> ক্ষমতাচ্যুতরা সীমান্তের ওপার থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী

>> শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাশ দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

>> আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

>> ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের পরিবর্তন চান ভোটাররা : ভ্যান্স

আপনি পড়ছেন : স্বাস্থ্য

করোনাভাইরাস হয়তো ম্যালেরিয়ার মতো থেকে যাবে


DhakaReport24.com || 2020-10-20 05:18:30
করোনাভাইরাস হয়তো ম্যালেরিয়ার মতো থেকে যাবে



কভিড-১৯-এর ভবিষ্যৎ কী, সে বিষয়ে আমরা নিশ্চয়তার সঙ্গে কিছুই বলতে পারি না। কিন্তু অন্যান্য রোগ নিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এটা বিশ্বাস করার খুব অল্পই কারণ আছে যে করোনাভাইরাস খুব দ্রুত আমাদের জীবন থেকে চলে যাবে, এমনকি একটি কার্যকর ভ্যাকসিন উপলব্ধ হওয়ার পরও। তবে একটি সম্ভাব্য বাস্তব দৃশ্য হতে পারে যে এটি সেসব সংক্রামক রোগের বৃহৎ পরিবারে অন্তর্ভুক্ত হবে, যারা কিনা এখন এন্ডেমিক বা স্থানীয় মারীতে পরিণত হয়েছে।

রোগের সংক্রমণ ফের বাড়তে থাকার সঙ্গে এটা অনেকটা পরিষ্কার যে বর্তমান বিধিগুলো সংক্রমণকে নিয়ন্ত্রণ করার চেয়ে বেশি কিছু করতে সক্ষম নয়। যদি না কোনো দেশ কার্যকরভাবে পৃথিবীর কাছ থেকে নিজেদের আইসোলেট করতে পারে। আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে এখনো বেশির ভাগ মানুষ কিছুমাত্রায় সংবেদনশীল হিসেবে রয়ে গেছে, ফলে যেকোনো মুহূর্তে আবারো সংক্রমণের বিস্ফোরণ দেখা দেয়ার আশঙ্কা রয়ে যাচ্ছে।

এটা হবে যদি নির্দিষ্ট কোনো স্থান হার্ড ইমিউনিটি অর্জন করতে পারে। যদিও কীভাবে হবে তা নিশ্চিত না। যখন পর্যাপ্ত পরিমাণ মানুষ রোগের বিরুদ্ধে ইমিউনিটি অর্জন করে তখন সেটি হতে পারে ভ্যাকসিনের মাধ্যমে কিংবা প্রাকৃতিকভাবে সংক্রমিত হওয়ার মাধ্যমে। এরপর এর গতি শ্লথ হতে থাকবে এবং সংক্রমণের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকবে। অবশ্য তার মানে এই নয় যে এটি মুহূর্তের মাঝে কিংবা পুরোপুরিভাবে হারিয়ে যাবে। পাশাপাশি আইসোলেশনের কোনো বিধিই যথেষ্ট শক্তিশালী না যে তারা পুরোপুরিভাবে অঞ্চলগতভাবে, দেশের মাঝে কিংবা বৈশ্বিকভাবে মানুষকে পুরোপুরি যোগাযোগহীন রাখতে পারে।

তাই এটাও সম্ভব যে সংক্রমণের গতি শেষ পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে স্থিতিশীল থাকবে। ফলে এটি মানব সমাজের মাঝে সবসময় থেকে যাবে। সম্ভবত তুলনামূলকভাবে নিচু মাত্রায়, কখনো কখনো তা অনুমানযোগ্য হারে। এন্ডেমিক বললে আমরা সাধারণত এ রকমটাই বুঝে থাকি।

কখনো কখনো সংক্রমণ থেকে যায় এবং সক্রিয়ভাবে প্রায় সব জায়গায়ই ছড়াতে থাকে (যেমন অনেকগুলো সংক্রামক যৌন রোগ ও শৈশবকালীন সংক্রমণ)। কিন্তু বেশির ভাগ সংক্রমণ বিশ্বের নির্দিষ্ট জায়গায় এন্ডেমিক আকারে থাকে।

এটি ঘটতে পারে যখন কার্যকর নিয়ন্ত্রণ সংক্রমণকে অন্য কোথাও সরিয়ে দেয় কিংবা কার্যকর সংক্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাদি যদি নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলের পরিবেশে পাওয়া যায়। ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে এবং আরো অনেক সংক্রমণ, যা মূলত মশা দিয়ে ছড়ায়, তার ক্ষেত্রে এমনটাই ঘটেছিল। তাত্ত্বিকভাবে বললে, তখনই কোনো সংক্রমণ এন্ডেমিকে রূপান্তরিত হয় যদি গড়ে প্রতিজন সংক্রমিত ব্যক্তি এটি দ্বারা অন্য একজনকে সংক্রমিত করে। অন্য কথায় বললে যখন পুনরুৎপাদন সংখ্যা জ এর মান হয় ১। মহামারীকালে এ মান অনেক বেড়ে যায়। পরে ইমিউনিটি এবং কার্যকর ব্যবস্থার সঙ্গে এটি যখন কমে আসে তখন এ মান হয় ১-এর কম।

এন্ডেমিকের ক্ষেত্রে অবশ্য নানা ধরনের প্যাটার্নের দেখা মেলে। নিম্ন স্তরে কোনো কোনোটা সারা বছর ধরেই থেকে যায়। আবার কোনোটা দেখা যায় একটা নির্দিষ্ট পর্বে উচ্চ সংক্রমণ নিয়ে ফিরে এসেছে। এটা অনেক সময় মৌসুমি উপাদানগুলো দ্বারা প্রভাবিত হয়। আবার কখনো অন্যান্য অণুজীব, যা পোকামাকড় হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে।

যতক্ষণ পর্যন্ত পর্যাপ্ত পরিমাণ সংবেদনশীল মানুষ থাকবে সংক্রমিত হওয়ার জন্য, রোগের জন্য, ততক্ষণ পর্যন্ত ভাইরাসের বিস্তৃতি চলতে থাকবে। তবে এ সংক্রমণ পুনরায় বিভিন্ন উপায়ে চালু হতে পারে, যা নির্ভর করছে রোগের বৈশিষ্ট্যের ওপর।

স্ক্রলডটইন থেকে সংক্ষেপে অনূদিত