এ বছরই আসবে ১০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন
DhakaReport24.com || 2020-06-19 20:46:45
চলতি বছরই করোনাভাইরাস মহামারীর ১০ কোটি ডোজ এবং আগামী বছর ২০০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন উৎপাদিত হবে বলে আশা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। গতকাল বৃহস্পতিবার সংস্থাটির প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, ভ্যাকসিন অনুমোদনের পর প্রথম ডোজ কাকে দেয়া উচিত সেটা সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তার জন্য পরিকল্পনা শুরু করেছে ডব্লিউএইচও। ফ্রন্টলাইনে কাজ করা চিকিৎসক, বয়স্ক বা অসুস্থ ব্যক্তি এবং কারাগার বা কেয়ার হোমের মতো উচ্চ সংক্রমণ ঝুঁকির স্থানগুলোতে কাজ করা কর্মীদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভ্যাকসিন দেয়া হবে।
সৌম্য স্বামীনাথন বলেন, আমি আশান্বিত, আমি আশাবাদী। তবে ভ্যাকসিনের উন্নয়ন একটি জটিল প্রক্রিয়া ও কর্মযজ্ঞ, এটা অনেকটা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে আসে। আশার বিষয়টি হলো, আমাদের অনেকগুলো ভ্যাকসিন ও প্লাটফর্ম নিয়ে কাজ চলছে। তাই প্রথমটি যদি ব্যর্থও হয় বা দ্বিতীয়টি ব্যর্থ হয় তারপরও আমাদের আশা হারানোর কারণে নেই। আমাদের হাল ছেড়ে দেয়া উচিত নয়।
আগামী কয়েক মাসের মধ্যে কভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধ করা যাবে এ আশা বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০টি সম্ভাব্য ভ্যাকসিন এখন মানব শরীরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। অনেক দেশ ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা প্রমাণের আগেই ডোজ অর্ডার দেয়ার জন্য ওষুধ সংস্থাগুলোর সঙ্গে চুক্তি শুরু করেছে।
স্বামীনাথন এ বছর ১০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে ‘আশাবাদ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং ২০২১ সালে পৃথক তিনটি ভ্যাকসিনের ২০০ কোটি ডোজ প্রাপ্তির আশাকে ‘বিগ ইফ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ডব্লিউএইচওর এই বিজ্ঞানী বলেন, এখন পর্যন্ত সংগৃহীত জিনগত বিশ্লেষণের তথ্য-উপাত্ত দেখিয়েছে যে, নতুন করোনাভাইরাসটির কারণে সৃষ্ট অসুস্থতার তীব্রতাকে পরিবর্তন করতে পারে- নিজের মধ্যে এমন কোনো রূপান্তর (মিউটেশন) ঘটাতে পারেনি নভেল করোনাভাইরাস।
সূত্র: রয়টার্স